হালাকু খান প্রসঙ্গে

একটি অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশের মধ্যে মূলত হালাকু খানের উত্থান। এ সময়ে আব্বাসীয় খিলাফতের কারণে বিভিন্ন স্থানে শক্তিশালী কোনো শাসনকাঠামো গড়ে উঠতে পারেনি। পাশাপাশি অপেক্ষাকৃত দুর্বল প্রকৃতির নানা ধরণের সালতানাত বিকাশ লাভ করেছিল। বিশেষত, পশ্চিম কিংবা পূর্ব দিকে তেমন কোনো শক্তি আব্বাসীয়দের সমকক্ষ হয়ে উঠতে পারেনি। সামরিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক কিংবা সামাজিক কোনো দিক থেকেই এসব সালতানাত তেমন এগিয়ে যেতে পারেনি। ফলে এই অঞ্চলটাতে একটা সময় আব্বাসীয়দের একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল। ১১ শতকের দিক থেকে ক্রুসেডারদের আগমণ মধ্য এশিয়ার রাজনীতিকে অস্থিতিশীল করে তোলে। বিশেষত, নিকটপ্রাচ্যের আনাতোলিয়া, লিভেন্ট ও ফিলিস্তিনে ১০৯৬-১০৯৯ সালের দিকে ছড়িয়ে পড়ে প্রথম ক্রুসেডের ভয়াবহতা। পোপ আরবানের ঘোষণার পর খ্রিস্টানরা ইউরোপের নানা দেশ থেকে ধেয়ে আসতে থাকে জেরুজালেম অভিমুখে। তারা শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে জয়লাভের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করে ক্রুসেড রাজ্য। এক্ষেত্রে বিবাদমান শক্তিশালী খ্রিস্টান বাহিনীর নেতৃত্বে ছিল ফ্রান্স, বালোয়িস, টুলো, বুলন, প্রোভেন্স, ফ্লান্ডার্স, নর্ম্যান্ডি, লা পিউ ইন ভেলা, ভার্মান্ডোয়িস, তথাকথিত পবিত্র রোমান সাম্রাজ্য, জেনোয়া, লোয়ার লোরেন, ইংল্যান্ড, ডাচি অব আপুলিয়া, টারান্তো এবং সাইলেসিয়ার পাশাপাশি বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য। সবমিলিয়ে এই ক্রুসেডের ফলে মধ্য এশিয়ার রাজনীতি একটা অস্থিতিশীল পরিস্থিতির দিকে মোড় নেয়।
যুদ্ধের গোড়ার দিকে মুসলমানদের সর্বনাশ হচ্ছে জেনে খুব উচ্ছসিত ছিল ইহুদিরা। পরে নানা স্থানে তারাও ক্রুসেডার গণহত্যার শিকার হয়। বলতে গেলে মৌলবাদী ক্যাথলিকবাদের বিপক্ষে অবস্থান নেয়ার দুঃশাহস যাঁরা দেখিয়েছে তাদের ধুলিস্যাৎ করাই ছিল ক্রুসেডারদের সংকল্প। এ সময়টাতে মুসলিম বিশ্বের পক্ষ থেকে সেলজুক ও দানিশমান্ত আমিরাত, ফাতিমি সাম্রাজ্য, আলমোরাভ সাম্রাজ্য এবং বিশেষ করে আব্বাসীয়রা ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। গডফ্রে, চতুর্থ রেমন্ড, দ্বিতীয় স্টিফেন এবং বল্ডুইনের নেতৃত্বে এগিয়ে আসা ক্রুসেডার বাহিনীর সামনে প্রতিরোধ গড়ে তোলে কিলিজ প্রথম আরসালান, জঙ্গি সায়ান, কিয়ামতউল্লাহ কারবোঘা এবং আবু নাসের শামসুল মুলক দুদাকের নেতৃত্বে অপেক্ষাকৃত অসংঘটিত মুসলিম সৈন্যরা। ফলে ক্রুসেডার মুসলিম দ্বৈরথ মধ্য এশিয়ার রাজনীতির মূল নিয়ামক হয়ে দেখা দিয়েছিল। ঠিক এসময়টাতে আরেকটি মুসলিম বিদ্বেষী জাতিগোষ্ঠীর উত্থান ঘটে গোবি মরুভূমির উত্তর দিকে। তারা নৃ-তাত্ত্বিক দিক থেকে মঙ্গোল জাতি হিসেবে পরিচিত। মুসলিম শক্তির বিরুদ্ধে ধর্মযুদ্ধে নিয়োজিত ক্রুসেডাররা যেমন জাতিগতভাগে খ্রিস্টান। তেমনি মোঙ্গলরা ছিল প্রকৃতি পূজারী। এরা বিভিন্ন সময়ে নানা প্রয়োজনে অনেক রকম প্রাকৃতিক শক্তির পূজা করত। বিশ্বের অন্য যেকোনো জাতি গোষ্ঠী থেকে তাদের খাদ্যাভাষও ছিল অন্যরকম। নানা ধরণের ফলমূল থেকে শুরু করে বিভিন্ন রকম প্রাণির মাংস তাদের আহার তালিকায় স্থান নিয়েছিল। মাংসের প্রয়েঅজনে গরু-ছাগল থেকে শুরু করে তারা কুকুর, ঘোড়া, গাধা, খচ্চর এবং শুকর সবই খেত।
বিশ্ব ইতিহাসে এই মোঙ্গল যাযাবর জাতির উত্থান নিঃসন্দেহে এক বিস্ময়কর এবং মর্মান্তিক ঘটনা বটে। ১৩ শতকের প্রথম দিকে চেঙ্গিস খান যেমন মধ্য এশিয়া এবং পারস্যে ত্রাসের জন্ম দিয়েছিলেন তার মৃত্যুর পরও এ ধারা বজায় ছিল। সালজুক সুলতান সানজারের বিরুদ্ধে অভিযানের ক্ষেত্রে তার উত্তরসূরির অবস্থান ছিল চোখে পড়ার মত। এক্ষেত্রে সুলতানের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে অংশ না নিয়ে বিদ্রোহীকে সহায়তা করেছিল মোঙ্গলরা। এরপর হালাকু খানের বড় ভাই মঙ্গু খানের সময় আলাউদ্দিন খাওয়ারযিম শাহকে পরাজিত করে সামনে এগিয়ে যেতে থাকে মোঙ্গল বাহিনী। বলতে গেলে মোঙ্গল শক্তি ক্রমশ পশ্চিম দিকে এগিয়ে আসতে থাকে এ সময়টাতে। ৬৫৪ হিজরি সনে মঙ্গু খানের নির্দেশে হালাকু খান পারস্য প্রদেশের ইলখান নিযুক্ত হন। এটা খ্রিষ্টীয় ক্যালেন্ডারের বিবেচনায় ১২৫৬ সালের ঘটনা। তিনি যে অঞ্চলের খান নিযুক্ত হয়েছিলেন তা মূলত খাওয়ারযিম শাহের থেকে কেড়ে নিয়েছিল মোঙ্গলরা।
হালাকু খান ক্ষমতায় বসেই ক্রশম সাম্রাজ্য বিস্তারের নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করে। তিনি চেয়েছিলেন যেভাবেই হোক আব্বাসীদের থেকে খিলাফত কেড়ে নিয়ে বাগদাদ ধ্বংসের মধ্য দিয়ে মোঙ্গল প্রাধান্যকে নিরঙ্কুশ করা। এজন্য তারা বিভিন্ন স্থানে ছোট ছোট রাজ্য ও দুর্গ আক্রমণ করে সামনের দিকে এগিয়ে যায়। প্রথম দিকে তারা অ্যাসাসিন তথা হাশিশীয়দের আক্রমণ করতে তাদের দুর্গ আলামুতের দিকে এগিয়ে আসে। দীর্ঘদিনের যুদ্ধ, আগ্রাসন, ধ্বংসযজ্ঞ ও অবরোধের এক পর্যায় পতন ঘটে শাইখুল জাবাল তথা পাহাড়ের নেতার দুর্গের। সেখানকার সুসজ্জিত বাগান, লাইব্রেরি থেকে শুরু করে সামরিক-বেসামরিক সব স্থাপনা মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেয় হালাকু খানের বাহিনী। এরপর ১২৫৭ সালের দিকে হামদানের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল হালাকুর বাহিনী। গ্রিক যুগ থেকে এই শহর একবাটানা নামে পরিচয় পেয়েছিল। বিখ্যাত প্রাচীন সভ্যতার নগরী হিসেবে এটাকে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়। পাশাপাশি প্রাচীন মেদেস এর রাজধানীও এটি। মুসলিম পর্বে এসে অনেক সুন্দর ও সাজানো নগর হিসেবে বিশ্বজোড়া খ্যাতি ছিল এখানকার। এই নগরীর বিখ্যাত সব স্থাপনার পাশাপাশি পাথরের তৈরি কিছু সিংহমূর্তি ছিল এখানে। নগরের প্রবেশ তোরণের উপরে এই সিংহমূর্তিটি স্থাপন করেছিলেন গ্রিক যোদ্ধা আলেকজান্ডার। এটাকে দেখে তখন অনেকটা প্যালাডিয়ামের মত মনে হত। হামদান দখলের পর অন্য সব নিদর্শনের মত এ ভাস্কর্যকেও টুকরা টুকরা করা হয়েছিল। পাশাপাশি অনেকগুলো কৃত্রিম ঝরণা এবং জলাশয় পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল হালাকু খানের বাহিনী। এরপর আরও অনেকগুলো জনপদ তছনছ করে হালাকু খানের বাহিনী এগিয়ে যেতে থাকে বাগদাদের দিকে। এক্ষেত্রে তাদের সঙ্গ দেয় আর্মেনিয়ার মৌলবাদী ক্যাথলিক নেতা হাইথন। সে তার বাহিনী নিয়ে সরাসরি মোঙ্গলদের হয়ে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল।
হামদানের পর লুরিস্তান ধ্বংস করে বাগদাদ দখলের প্রস্তুতি গ্রহণ করে হালাকু খানের বাহিনী। এসময় বাগদাদের অবস্থা তেমন ভাল ছিল না। বিশেষ করে ১২৫৬ সালের প্রবল বর্ষণ সেখানে সৃষ্টি করেছিল ভয়াবহ বন্যা। এই বন্যার প্রোকোপে তাদের অনেক বাড়িঘর যেমন বিধ্বস্ত হয়েছিল তেমনি তলিয়ে গিয়েছিল তাদের বেশিরভাগ ক্ষেতের ফসল। এদিকে ইরাকের বাকি যে অংশ টিকে ছিল সেখানকার অধিবাসীদেরও তেমন একটা শান্তি ছিল না। অন্যদিকে রাষ্ট্রীয় খরচ কমানোর উদ্যোগ হিসেবে বিস্ময়কর নজিরবিহীনভাবে সেনাদল ছেঁটে ফেলতে দেখা যায় বাগদাদের খলিফাকে। আর তখনই আক্রমণের উপযুক্ত সময় মনে করে হালাকু খানের বাহিনী। তারা দীর্ঘদিন অবরোধের পর দখল নেয় বাগদাদের। খলিফাকে কার্পেটের নিচে পিষে হত্যা করা হয়। তারপর মোঙ্গল বাহিনী লুটপাটের পাশাপাশি পুরো এলাকায় যেমন রক্তগঙ্গা বইয়ে দেয়, তেমনি মসজিদ, প্রাসাদ, সাধারণ বাড়িঘর, লাইব্রেরি আর হাসপাতাল এর কোনোটাই বাদ পড়েনি তাদের ধ্বংসযজ্ঞ থেকে। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে বাগদাদ যা অর্জন করেছিল তা চোখের পলকে মাটিয়ে মিশিয়ে দিয়েছিল মোঙ্গল বাহিনী। ওয়াসাসফের বর্ণনা থেকে এ সময়ের বর্ণনা দিতে চেষ্টা করেছেন ডেভিড মর্গান। তিনি বাগদাদের আকাশে উল্লাসরত কিছু শকুনের ওড়াউড়ি আর উড়তে থাকা কালো ধোঁয়ার পাশাপাশি পোড়া মাংসের বীভৎস গন্ধে গা গুলিয়ে আসার তেমন কিছু লিখতে পারেননি। প্রায় সব মুসলিম সৈন্যের পাশাপাশি সাধারণ মুসলিম নাগরিককে হত্যা করা হয়েছিল বাগদাদ দখলের পর। ফলে সেখান থেকে প্রতিরোধের তেমন সম্ভাবনা ছিল না। অন্যদিকে অল্প কিছু সংখ্যক খ্রিস্টান যারা বাগদাদের এই হত্যাকা-ের সময় সম্পূর্ণ নিরাপদ ছিল তাদের নিয়ে কোনও দুশ্চিন্তা থাকার কথা নয়। তাই মাত্র ৩০০০ সৈন্যকে বাগদাদের দায়িত্ব রেখে প্রস্থান করতে দেখা যায় হালাকু খানকে।
বাগদাদের এ হত্যাকা-ের মধ্যেও হালাকু খান তার স্ত্রী দকুজ খাতুনের বক্তব্যে সম্মান দিয়েছিলেন। তার বাহিনী কোনও নেস্তোরিক খ্রিস্টানের উপর হামলা করেনি। তবে বাগদাদে যে অল্প কিছু সংখ্যায় ইহুদি, নাস্তিক ও অন্য ধর্মের মানুষ ছিলেন তাদেরও পরিণতি হয়েছিল মুসলিম সম্প্রদায়ের মতই। বাগদাদের পতন বিশ্ব অর্থনীতিতেও ব্যাপক পরিবর্তন এনেছিল। বন্দর হিসেবে ইস্তাম্বুলের গুরুত্ব বহুলাংশে বেড়ে যায় এর পর থেকেই। পাশাপাশি বিশ্ব মুসলিম শাসনের অভিমুখ বদলে যায়। তাদের অনেককে নিজের অস্তিত্ব রক্ষার্থে নতুন করে ভাবতে হয়। শেষ পর্যন্ত রুকন উদ দিন বাইবার্সের উত্থানে থমকে গিয়েছিল ইলখানি অগ্রযাত্রা। আইন জালুতের ময়দানে চরমভাবে বিধ্বস্ত হয়ে থমকে যেতে হয়েছিল হালাকু খানের অজেয় বাহিনীকে। তবে এর আগে পর্যন্ত তাদের যে সাফল্য সেখানে শীর্ষস্থানে রাখতে হবে এই বাগদাদ বিজয়কেই। অন্তত বাগদাদ দখল পরবর্তী হত্যাযজ্ঞের মধ্য দিয়ে মোঙ্গল বাহিনী তাদের নৃশংসতায় যে নতুন নজির স্থাপন করে তা এর আগে বিশ্ব কখনও দেখেনি। হত্যাকা-, লুটতরাজ, দখলবাজি, নারী নির্যাতন, ধর্ষণ থেকে শুরু করে সব ধরণের ঘৃণ্য যুদ্ধাপরাধ তারা করেছে। আর এদিক থেকে বিচার করতে গেলে হালাকু খান ইতিহাসে বিখ্যাত নাকি কুখ্যাত না নিয়ে চিন্তার অবকাশ রয়েছে।
ইতিহাস-প্রত্নতত্ত্বের অনুসন্ধিৎসু শিক্ষার্থী হিসাবে এ গ্রন্থের লেখক আদনানের সঙ্গে আমার পরিচয় বেশ আগে। বাংলাদেশের নন্দিত ইতিহাস গবেষক অধ্যাপক এ কে এম শাহনাওয়াজের গবেষণা সহযোগী হিসেবে সে কাজ করছে দীর্ঘদিন। খুব সম্ভবত আইবিএস এর একটি কনফারেন্সে রাজশাহী এসেছিল সে। সেখানে আমার লেখা ‘মুসলিম মুদ্রা ও হস্তলিখন শিল্প’ গ্রন্থটির সপ্তম অধ্যায় তথা ‘মোঙ্গল ইলখান ও তার উত্তরসূরিদের মুদ্রা’ থেকে হালাকু খান ও চেঙ্গিস খানের মুদ্রা নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছিল। আমি তখন তাকে বলেছিলাম হালাকু খান কেনো ‘হুলাকু’, ‘খুলাকু’ কিংবা ‘হুলাগু’ নয়। এরপর দীর্ঘশ্রমে সে এতবড় তথ্যবহুল একটি বই লিখে ফেলবে তা সত্যিই চিন্তাতীত ছিল। এই বইয়ের বিভিন্ন অধ্যায়ে হালাকু খানের প্রাথমিক জীবন, তার যোদ্ধা হিসেবে বেড়ে ওঠা, মধ্য এশিয়ায় তার সাফল্য থেকে শুরু করে ইসমাঈলীয় শিয়াদের বিরুদ্ধে অভিযানের পর কিভাবে বাগদাদ দখল করা হয় তার বিস্তৃত ও সাবলীল বর্ণনা প্রত্যক্ষ করেছি। অন্যদিকে বাগদাদ দখলের পর কিভাবে সিরিয়াকেও বিধ্বস্ত করেছিল হালাকু খানের বাহিনী তাও বাদ পড়েনি এ গ্রন্থের আলোচনা থেকে। এরপর আইন জালুতের ময়দানে বীর মামলুক যোদ্ধা বাইবার্সের মুখোমুখি হয়ে শেষ পরিণতির দিকে এগিয়ে যেতে হয়েছিল ইলখান নেতা হালাকুকে; তারও বিশ্লেষণমূলক পর্যালোচনা যুক্ত হয়েছে এ গ্রন্থে। সবমিলিয়ে গ্রন্থটি অনুসন্ধিৎসু পাঠকের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে বলেই আমার বিশ্বাস।

বইয়ের তথ্যঃ

হালাকু খান
মো: আদনান আরিফ সালিম (Author)
মুদ্রিত মূল্য : ৳ ৩৫০
প্রকাশনী : দিব্যপ্রকাশ
বিষয় : ইতিহাসগ্রন্থ

অনলাইনে কিনুন

 

হালাকু খান গ্রন্থের ভূমিকাটি লিখেছেন…

ড. এ কে এম ইয়াকুব আলী
ইমেরিটাস অধ্যাপক
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

(Visited 29 times, 1 visits today)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *