ভুল বানান ও ভাষা বিকৃতি

কয়েক দিন আগের কথা। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বরেণ্য সাংবাদিক অ্যান্থনি মাসকারেনাসের দুটি গ্রন্থ ‘দ্য রেইপ অব বাংলাদেশ’ এবং ‘লিগ্যাসি অব ব্লাডের’ অনুবাদ নিয়ে অফিসে এলাম। বই দুটো রেখেছিলাম হাতে, যাচ্ছিলাম ‘দৈনিক বণিক বার্তার’ রিডিং সেকশনের পাশ দিয়ে। হঠাত্ খেয়াল করি মহীদুল ভাই, রেজা ভাই, খালেক ভাই, দীপা আপা প্রত্যেকেই কিছু না বলে মুচকি হাসচ্ছেন। ঘুরে দাঁড়াই, বুঝতে পারি হাসির কারণটা কী। এ বইয়ের প্রচ্ছদে সাংবাদিক মাসকারেনাসের নামের বানান লেখা হয়েছে ‘অ্যান্থনী ম্যাসকারেণহাস’ এভাবে। সেদিন বিকালে বুয়েট শিক্ষক ড. ফারসীমের ফেসবুক স্ট্যাটাস চোখে এল। স্যার লিখেছেন, ‘ভুল বানানে শ্রদ্ধাঞ্জলী (সঠিক বানান শ্রদ্ধাঞ্জলি) আর কম ভিড়ের একুশ দেখে এলাম।’ আসলে এমন নানা ঘটনা প্রতিদিনই আমাদের চোখে পড়ে। কিছু ক্ষেত্রে হয়তো আমরা নিজেরাই জানি না, কোনটা ভুল বানান আর কোনটা সঠিক। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, এ ধরনের ভুল বানান আমরা দেখার পরও এড়িয়ে যাই অজ্ঞাত কারণে।

ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে বণিক বার্তায় সাংবাদিক-গবেষক রাফিয়া জাকারিয়ার এক প্রবন্ধের অনুবাদ ছাপা হয়েছিল। সেখানে তিনি দেখিয়েছেন, কীভাবে আর্থরাজনৈতিক পরিস্থিতি একটি ভাষার ব্যবহার সীমিত করে দিচ্ছে। আর সেখান থেকে সূত্র নিয়ে আমরা খুব সহজেই ভাষাগত আধিপত্যবাদের নিরিখে মাতৃভাষার প্রান্তিক ও অপেক্ষাকৃত গুরুত্বহীন হয়ে ওঠার বাস্তবতা অনুধাবন করতে পারি। বিশেষ করে নিওলিবারেল যুগের চাহিদা মেটাতে গিয়ে শৈশব থেকেই মা-বাবা চাচ্ছেন সন্তানরা আর যাহোক, অন্তত ইংরেজিটা একটু ভালো করে শিখুক। তাই ব্যাকরণ কিংবা নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে শৈশব থেকেই শিশুরা বাংলায় কথা বলা কিংবা লেখা ভুলে গিয়ে তুবড়ি ছোটাতে চেষ্টা করছে ইংরেজির। মাতৃভাষা বাংলার মূল্য তাদের কাছে আজ সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে প্রভাতফেরির মিছিল কিংবা অমর একুশের দিনে পরিধেয় পাঞ্জাবি, থ্রিপিস কিংবা শাড়ির নকশায়। কথাবার্তা কিংবা সামাজিক অনুষ্ঠানগুলোয় তাদের বাংলা-ইংরেজির মিশেলে যে বািচত সেগুলোর কথা বাদ দেই, ফেসবুকের মতো সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে তাদের দেয়া স্ট্যাটাসগুলো এখন আমজনতার হাসির খোরাক। তাদের বাংলা বিকৃতিকে নিয়ে অনেক স্বতন্ত্র পেজ পর্যন্ত খোলা হয়েছে নিছক মজা করার উদ্দেশ্যে।

তবে মাতৃভাষা বাংলার এ বিকৃতি একটি সাধারণ কারণে হয়েছে, তা বলা বোধহয় ঠিক হবে না। বিশেষত ফেসবুক, ব্লগ, টুইটার থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলা ভাষার ব্যবহার আমাদের জন্য আশার কথা হলেও সেখানে শব্দ বিকৃতি ও বানান ভুলের এক মহোত্সব চলছে এ কথা বলা যায়। আসলে কী ধরনের বাংলা এখানে ব্যবহার হচ্ছে, একটু আগ্রহ নিয়ে বিষয়টি বোঝা বা দেখার সময় নেই। উপরন্তু সবার চেষ্টা ও তার বাস্তবতাটাই ভিন্ন। তাদের ভাবখানা এমন, ফেসবুকের মালিক জাকারবার্গ তাদের জন্য এক উন্মুক্ত ময়দান খুলে দিয়েছেন। সেখানে যেমন ইচ্ছে লিখো, খাও-দাও, গান গাও আর নেচে বেড়াও। আবার যুক্তিটা এমন হতে পারে, ফেসবুক যেখানে তাদের হোম পেজে ‘হোয়াটস অন ইওর মাইন্ড’ আপনার মনে কী আছে জানতে চাইছে; সেখানে বানান ভুল নিয়ে কথা বলার আপনি কে? কিন্তু প্রশ্নটা অন্য খানে; আর আস্থার সংকটটা ঠিক সেখানেই।

আমরা জানি ফেসবুক, ব্লগ কিংবা টুইটার ব্যবহারকারীদের বেশির ভাগ প্রচলিত নিয়মে বাংলা টাইপ করতেই জানেন না। অনেকে আবার সরাসরি কম্পিউটার থেকেও এ মাধ্যমগুলোয় যুক্ত থাকেন না। তারা নিছক অবসর যাপন কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে যুক্ত থাকতে এ মাধ্যমগুলো ব্যবহার করেন বলে তাদের কাছে ভাষাগত গুরুত্ব কম। তাদের এ উদাসীনতার সুযোগেই বেড়েছে শব্দ বিকৃতির ভয়াবহতা। প্রথমে অনেক হাস্যকর মনে হলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইংরেজি উচ্চারণে অনেকে যে বাংলা লিখছেন, সেটা ভাব প্রকাশে অক্ষমতাই শুধু নয়, পাশাপাশি ভাষা বিকৃতির জঘন্য ধাপ। বিরক্তিকর এ বিষয়গুলোকে একটি ফিচারে তুলে ধরেছিলেন মাহবুবুল হাসান, যেখানে দেখা গেছে এটা কতটা বিরক্তির কারণ হতে পারে। ওই ফিচারে অনেক হাস্যকর উদাহরণ যুক্ত হয়েছিল ফেসবুক থেকে। যেমন জনৈক ফেসবুকার নির্দিষ্ট স্থানে বেড়াতে গিয়ে সেলফি তুলে আপলোড দিয়ে লিখেছিলেন, ‘বন্দরা কামান আচা! আমে ঘোমোনা ফুটুরি পেরাকে ওনাক মাজা করচে।’ ছবিটি ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ না করলে কারো পক্ষে বোঝা সম্ভব নয় যে, ওই ফেসবুকার বলতে চাইছেন, ‘বন্ধুরা কেমন আছ? আমি যমুনা ফিউচার পার্কে অনেক মজা করছি।’ তেমনি ফেসবুক চ্যাটিং কিংবা কমেন্টের ক্ষেত্রে একটি বিষয় দেখা যায় হরহামেশাই। ইংরেজি বর্ণে কেউ আপনার ইনবক্সে জিজ্ঞেস করল, ‘ভায় কামান আচান’, ‘আমে ভালা আচে’, ‘আপনা কে কারেন’, ‘আপনা আজ কে খাচেন’, ‘আপনার পপাইল পেকচার ডাকে আমে মোগদো হায়া গালাম’, ‘আপো আপনার হাসেটা কোব কেউত।’ যদি নিয়মিত ফেসবুকার না হন, তাহলে যে কারো পক্ষেই এ ধরনের বিকৃত বাংলায় লেখা শব্দের মূল প্রতিপাদ্য কী, তা খুঁজে পাওয়া সম্ভব হবে না।

ইংরেজি উচ্চারণে বাংলা যারা লেখেন, তাদের ভুলগুলো অনেক ক্ষেত্রে জ্ঞানগতস্বল্পতা কিংবা বাংলায় অনীহার কারণে হতে পারে। কিন্তু এ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমেই আরেকটি শ্রেণীর দেখা মেলে, যারা জেনে-শুনে বাংলা বিকৃত করেন। যেমন বিস্ময়ের শেষ সীমায় গিয়ে কেউ বলে বসলেন, ‘কেউ আম্রে মাইরালা কিংবা এইডা কিসু হৈল’, ‘তুই মুড়ি খায়া মৈরা যা’, ‘হেতিরে কেউ ছিড়া খ্যাঁতা দিয়া জাইত্যা ধর’, ‘হেতিরে পানিত চুবাস না ক্যারে’, ‘হেতিরে পিডাইয়া খুড়া কৈরালা’, ‘ক্যা ভাউ কিরামাচু’, ‘আন্নের কিইচে’, ‘ভাউ আন্নে আইতাচেন্নি’ এগুলো থেকেও ভাষা ও বানানের যে বিকৃতি ঘটছে, সেটাও এড়িয়ে যাওয়ার মতো নয়।

ইন্টারনেট থেকে চলতি পথে পা রাখা যাক। মিরপুর থেকে কারওয়ান বাজার, গাবতলী থেকে সদরঘাট একই চিত্র। আরেকটু জোর দিয়ে বললে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া, বেনাপোল থেকে তামাবিল সর্বত্র চলছে বানান ভুলের মহোত্সব। মনের খেদ মিশিয়ে বলা যেতেই পারে, যারা সাইনবোর্ড কিংবা নিয়নসাইন তৈরি করেন, তাদের কাছে বানান ভুল হয়তো এক ধরনের ফ্যাশন কিংবা অনাগ্রহের বিষয়। তাই দোকানপাট থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান-ভবনের সাইনবোর্ডের দিকে তাকালেই গুমরে কাঁদতে দেখা যায় মাতৃভাষা বাংলাকে। শুরুটা হয়তো হবে দন্ত-ন এর স্থলে মূর্ধণ্য-ণ দিয়ে। তার পর একটু খেয়াল করুন চোখে পড়বে ‘আইনজীবি’ (আইনজীবী), ‘বিরাণী’ (বিরানি), ‘কর্ণেল’ (কর্নেল), ‘ষ্ট্যাম্প’ (স্ট্যাম্প), ‘ফটোষ্ট্যাট’ (ফটোস্ট্যাট), ‘ভ্রাম্যমান’ (ভ্রাম্যমাণ), ‘ডায়াগনষ্টিক’, (ডায়াগনস্টিক) ‘ব্যাটারী’ (ব্যাটারি), ‘ষ্টোর্স’ (স্টোর্স), ‘ষ্টোর’ (স্টোর), ‘এণ্ড’ (অ্যান্ড), ‘ঘন্টা’ (ঘণ্টা), ‘ইনষ্টিটিউট’ (ইনস্টিটিউট), ‘ষ্ট্যান্ড’ (স্ট্যান্ড), ‘ফ্যাক্টরী’ (ফ্যাক্টরি), ‘ফার্ণিচার’ (ফার্নিচার), ‘মডার্ণ’ (মডার্ন), ‘রেষ্টুরেন্ট’ (রেস্টুরেন্ট), ‘কম্পানী’ (কোম্পানি) ‘মেশিনারী’ (মেশিনারি), ‘রিয়েল এষ্টেট’ (রিয়েল এস্টেট), ‘ভবণ’ (ভবন) প্রভৃতি। তার পর খেয়াল করুন বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ‘রেস্তোরাঁ’ শব্দটিকে ‘রেঁস্তোরা’ বা ‘রেস্তোরা’ বানানে লিখতে দেখা যায়। একটি দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন পড়ার পর খেয়াল করলাম, ‘বেগম রোকেয়া সরণি’কে ভুল বানানে অনেক দোকানের সাইনবোর্ডে লেখা হচ্ছে ‘বেগম রোকেয়া স্মরণী’ বা ‘বেগম রোকেয়া স্বরণী’। তেমনি মিরপুর ১০ নম্বরে কয়েকটি দোকানের সাইনবোর্ডে ‘গোল চত্বর’কে লেখা হয়েছে ‘গোল চক্কর’। পাঠক চিন্তা করুন, ‘চত্বর’ আর ‘সরণি’র বদলে দেখা বানান দুটোর সত্যিকার অর্থ বুঝলে মাথা চক্কর না দেয়ার কারণ আছে কি?

ব্যক্তিগতভাবে একটি বিষয়কে সবচেয়ে বিতর্কিত এবং বাংলা বানান নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্য দায়ী করব, তা হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের কর্তাব্যক্তির অবস্থান। তারা খেয়াল-খুশি মতো দু’দিন পর পর বানান পরিবর্তন করে বসেন; যেগুলোর কারণ মানুষের বোধগম্য হয়ে ওঠে না। আবার তারা যখন বই প্রকাশ করেন, সেখানেও থাকে মতামতগত দ্বন্দ্ব। তাই তো সব বিদেশী শব্দে দন্ত-ন হলেও কোন জাদুমন্ত্রের ছোঁয়ায় স্কুল জীবনে প্রায় সব ক’টি সামাজিক বিজ্ঞান বইয়ে লর্ড কর্নওয়ালিসের নাম পড়ে এসেছিলাম ‘লর্ড কর্ণওয়ালিস’। এমনকি এ কর্নওয়ালিসকে কর্ণওয়ালিস না লেখায় স্যারের কাছে খাওয়া সে জালিবেতের রামধোলাইয়ের কথা আজো ভুলিনি। তবুও দেখি মূর্ধণ্য-ণ এবং মূর্ধণ্য-ষ প্রেমীরা আজো আছেন, তারা অবলীলায় লিখে যাচ্ছেন ‘গভর্ণর’, ‘মডার্ণ’, ‘রেঁণেসা’, ‘রেজিষ্ট্রি’ প্রভৃতি, যার সবগুলোই ভুল। শুদ্ধ বানান হবে গভর্নর, মডার্ন, রেনেসাঁ ও রেজিস্ট্রি। কাদা ও কাঁদার মধ্যে পার্থক্য করতে ব্যর্থ অনেকে এখনো বৃষ্টি পড়লে কেঁদে দেন, পচাকে লেখেন পঁচা, আবার কষ্ট পেলে যে কান্না করেন, সেটার চন্দ্রবিন্দু উঠিয়ে কাদা লিখতেও কসুর নেই তাদের।

সাধুরীতির পরিধান থেকে যে ‘কাপড় পরা’, সেটাকে অনেকে লেখেন ‘কাপর পড়া’, বই পাঠকে কেউ কেউ লেখেন ‘বই পরা’, বের হওয়াকে লেখেন ‘বেড় হওয়া’; যেগুলো জেনে-শুনে করা ভুলের মধ্যে পড়ে। প্রতিটি জাতীয় দিবস এলে রাজনীতিবিদদের অর্থায়নে আমাদের দেশের সাইনবোর্ড ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে ব্যানার লেখকদের শুধু ব্যস্ত সময়ই পার করতে হয় না, তখনো চলে আরেক দফা বানান ভুলের মহোত্সব। তাই তো ১৫ আগস্ট এলেই রাস্তায় চোখে পড়বে এমন বহু ব্যানার, যেখানে লেখা থাকে ‘কাদো বাঙালি কাদো’, ‘জাতীর পিতা শেখ মুজীব’, ‘বিরোধি দলের চক্রান্ত রোকতে হবে’, ‘বাংলা মাটীতে রাজাকারের ঠাই নায়’ প্রভৃতি। আর পোস্টারগুলোয় একটু সতর্কতার সঙ্গে দৃষ্টি দিলেও চোখে পড়বে ‘দূরশ্বাষনের’, ‘বিরোদ্ধে’, ‘কণ্ঠ সুর’, ‘স্বইরাচারী’, ‘বিক্ষুভ’ ইত্যাদি অসাধারণ-অনন্যসাধারণ বানানশৈলী। এগুলোর সঠিক রূপ দুঃশাসন, বিরুদ্ধে, কণ্ঠস্বর, স্বৈরাচারী ও বিক্ষোভ। কিন্তু অহরহ পোস্টারগুলোয় চোখ যেতে থাকলে একসময় আপনিও ভুলে যেতে পারেন সঠিক বানান। তেমনি আপনার দৃষ্টিতে আসতে পারে ‘সুপ্রীম কোর্ট’, ‘আপীল’, ‘রেজিষ্ট্রার’, ‘সরকারী’, ‘লিঁয়াজো’ প্রভৃতি বানান, যা কিনা রাষ্ট্রের অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের স্মারক। আর এভাবে চলতে থাকলে মাতৃভাষা বাংলার উচ্চারণ ও লিখন গিয়ে যে খাদের কিনারে দাঁড়াবে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। মাতৃভাষা বাংলার এ ম্রিয়মাণ চেতনা পুনরুদ্ধারের জন্য এখনই উপযুক্ত নীতিমালা প্রণয়ন করে তার সুষ্ঠু বাস্তবায়ন জরুরি। বিশেষ করে মানুষের মাঝে প্রচলিত ভুলগুলোর উপযুক্ত কারণ অনুসন্ধান করে তা থেকে উত্তরণের পথ বের করার দায়িত্বটা গবেষকদের ওপরই বর্তায়। এক্ষেত্রে সরকারের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় উপযুক্ত সমর্থন দিতে পারে মাত্র। তবে ভুল বানান থেকে উত্তরণের জন্য ব্যক্তি পর্যায়ের সচেতনতাও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। পাশাপাশি আমরা যারা কম্পিউটারে বাংলা কম্পোজ করি, তাদের উচিত কোনো ফোনেটিক কিবোর্ড ব্যবহার না করে মাতৃভাষা বাংলায় ব্যবহার উপযোগী কিবোর্ড লে-আউটগুলোয় অভ্যস্ত হওয়া। পাশাপাশি কথাবার্তা কিংবা সামাজিক যোগাযোগের ইন্টারনেট মাধ্যম প্রতিটি ক্ষেত্রেই আমাদের উচিত ভাষা ব্যবহারে সতর্ক হওয়া। ইংরেজি উচ্চারণে বাংলা লেখা যেমন বাদ দেয়া উচিত, তেমনি বিকৃত বাংলা শব্দের ব্যবহার বাদ দিতেও চেষ্টা করতে হবে।

Related posts

Leave a Comment

Your Rating:05

Thanks for submitting your comment!