Home অনুবাদ শিশু নিপীড়ন, অনর্থক লুকোচুরি আর নেতৃত্বের কথকতা

শিশু নিপীড়ন, অনর্থক লুকোচুরি আর নেতৃত্বের কথকতা

অনেক ক্ষেত্রে নিউজ ইভেন্টকেও কোম্পানি বোর্ডের প্রায় সবার অন্তর্দৃষ্টি বাড়িয়ে দেয়ার অনুঘটক বলে ধরা যেতে পারে। যেমন— সম্প্রতি ডেমোক্রেটিক ন্যাশনাল কমিটির কম্পিউটার হ্যাকিংয়ে রাশিয়া সরকারের সংশ্লিষ্টতা প্রকাশ হওয়ার পর থেকে অনেক প্রশ্ন ঘুরে-ফিরে আসছে। এটি ঘটেছে কোরিয়া সরকারের সনি পিকচারের সিস্টেম হ্যাক করার ঠিক বছর দুয়েকের মাথায়। এ ঘটনা বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশের সাইবার নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্টদের নড়েচড়ে বসতে বাধ্য করেছে।

অনেক ক্ষেত্রে অনৈতিক শ্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তথ্য বের হয়ে আসছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে চীনের অ্যাপল সাপ্লায়ারদের কথা, যারা নানা উল্টা-সিধা পদ্ধতিতে বিভিন্ন কোম্পানিকে তাদের সাপ্লাই চেইনের মধ্যে আসতে বাধ্য করছে। এর বাইরে অনেক বেশি ব্যয়ে বিভিন্ন মিটিং করার জন্য প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে অনেক প্রতিষ্ঠান, যার ভার গিয়ে পড়ছে সাধারণ কর্মচারী-কর্মকর্তাদের ঘাড়ে। এক্ষেত্রে কর্মক্ষেত্রের নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হলেও একটি বিষয় টেবিলে আসছে না বললেই চলে আর তা হচ্ছে ‘চাইল্ড সেক্সচুয়াল অ্যাবইউজ’।

যুক্তরাজ্যের কথাই ধরা যাক, গত মাসেই সেখানে শিশু নির্যাতনের ভয়াবহ তথ্য উঠে এসেছে একটি ইয়ুথ সকার টিম তথা ফুটবল দলের ম্যাচপূর্ব প্রস্তুতিতে। সেখানে সুযোগ্য শিশু ক্রীড়াবিদরা তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে, যাকে পেশাজীবীদের সঙ্গে তুলনা করা চলে, তবুও উপযুক্ত পারিশ্রমিক মেলেনি তাদের। এই ঘটনাকে প্রায় ৯৮টির মতো প্রফেশনাল ও অ্যামেচার ক্লাবের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে মেলানো যাবে, যারা এভাবে শিশুদের খাটিয়ে মারছে।

উদাহরণ হিসেবে ক্রু আলেক্সান্দ্রার কথা বলা যেতে পারে। সেখানে সেই আশির দশকেই একজন কোচ ব্যারি বেনেলের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এক্ষেত্রে তার পক্ষে পুলিশে গিয়ে জানানো যেমন সম্ভব হয়নি, এর বিরুদ্ধে কোনো প্রতিবাদও হয়নি তখন। এর পর বেনেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে, সে একজন সিরিয়াল পেডোফাইল। পর পর অনেক কুকীর্তি প্রকাশ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ এই বদলোকটিকে ১৯৯৮ সালের দিকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়। তবে যাওয়ার আগে সে কয়টি শিশুর সঙ্গে এ ধরনের নোংরামি করে গেছে, তার ইয়ত্তা নেই। এক্ষেত্রে সময়ের ওই মেরুদণ্ডহীন ক্রু আলেক্সান্দ্রার কর্তৃপক্ষকে পুরোপুরি দায়ী করা যায়।

এখনকার দিনেও এসে দেখা যায় অনেক বোর্ড তাদের সুনাম ধরে রাখার অজুহাতে এমন অনেক অপকর্ম আর কুকীর্তি আড়ালের চেষ্টা করে যাচ্ছে। গত জুলাইয়ে চেলসি ফুটবল ক্লাব একজন সাবেক ফুটবলারকে প্রায় ৫০ হাজার ডলার ক্ষতিপূরণ দিয়েছে তার সঙ্গে সেই ১৯৭০-এর দিকে সংঘটিত অপরাধের ক্ষতিপূরণ হিসেবে। গত পাঁচ বছর হিসাব করে শিশুদের যৌননিরাপত্তা নিয়ে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ২০০১ সালে যে প্রতিবেদন প্রকাশ শুরু করেছিল, তা মাত্র দুই বছরের মাথায় থমকে যায়। এক্ষেত্রে এহেন অপকর্মের সঙ্গে ফুটবল কর্মকর্তাদের অনেকের সংযুক্ত থাকার বিষয়টি প্রকাশ হয়ে পড়ায় তাদের পক্ষে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ আর সম্ভব হয়ে ওঠেনি।

এর পর যুক্তরাজ্যের ফুটবলে এ ধরনের কেলেঙ্কারি আর হয়নি, এমনটা নয়। ইন্ডিস্টার ও ইউএসএ টুডের জরিপে দেখা যায়, এমন অনেক অঘটন এখনো ঘটে চলেছে। তাদের হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৩৬৮ জিমন্যাস্টের সঙ্গে এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে গত ২০ বছরে। তারা দীর্ঘদিন পর তাদের সঙ্গে ঘটা অন্যায়ের ব্যাপারে মুখ খুলেছে। যুক্তরাষ্ট্রের জিমন্যাস্টিক্সের সঙ্গে জড়িত অনেকের পাশাপাশি তাদের অলিম্পিক কমিটির কেউ কেউ এহেন অপকর্মে যুক্ত থাকায় শেষ পর্যন্ত আর অভিযোগ দায়ের করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগ দায়ের হলে তার পর শাস্তির প্রশ্ন আসে। প্রাতিষ্ঠানিক সুনাম ধরে রাখার চেষ্টা থেকে শুরু করে আরো নানা কারণে শেষ পর্যন্ত পার পেয়ে যাচ্ছে দাগি অপরাধীরা। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে অপরাধীকে শাস্তির আওতায় আনা গেছে। দোষী অনেক কোচকে ঘাড় ধরে বের করে দেয়া হয়েছে দলের দায়িত্ব থেকে। তাদের জরিমানা থেকে শুরু করে কারাদণ্ডের মতো শাস্তি দেয়া সম্ভব হয়েছে। তবে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে, শাস্তির সম্মুখীন ওইসব ব্যক্তিদের নতুন প্রতিষ্ঠানে শিশুদের ট্রেনিং দেয়া শুরু করেছে। সেখানে কাজে যুক্ত হওয়ার পর তাদের স্বভাব বদলে গেছে— এটির নিশ্চয়তা কে দেবে?

এত দিন যে বিষয়টি নিয়ে লুকোচুরি চলেছে, সেই সত্যটা এখন বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে। যুক্তরাজ্যের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এ বিষয় নিয়ে এখন বেশ সতর্ক। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন জিমন্যাস্টিক প্রতিষ্ঠান তাদের শিশুদের প্রশিক্ষণের জন্য যেসব কোচ নিয়ে আসে, তাদের স্বভাব-চরিত্র কেমন, তা বোঝার চেষ্টা করছে। তারা নিয়োগের আগে ওইসব কোচের অতীত কর্মস্থল এবং কর্মকাণ্ড সম্পর্কে যাচাই-বাছাই করে নিচ্ছে বেশ সতর্কভাবে। পাশাপাশি তাদের চাইল্ড প্রটেকশন পলিসিতেও অনেক পরিবর্তন এসেছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র তাদের শিশু অ্যাথলেটদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একজন সাবেক প্রসিকিউটরকে নিয়োগ দিয়েছে। তাদের বোর্ড থেকে একটি রিভিউ প্যানেলও প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, যেখানে সব ধরনের অভিযোগ তদন্ত করে দেখার সুযোগ রয়েছে। এ ধরনের উদ্যোগের পরেই দেখা গেছে, পেন স্টেট (পেনসিলভানিয়া) তাদের কোচকে অর্ধচন্দ্র দিয়ে দল থেকে বের করেছে। তার বিরুদ্ধে সান্ডাস্কির অভিযোগ প্রমাণিত হলেও জো প্যাটের্নো যে অভিযোগ দায়ের করেছিল, তার কোনো সুরাহা হয়নি। তবে সেই ২০০২ সাল থেকেই এ নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা চলছে। সবাই অপেক্ষায় রয়েছেন শেষ পর্যন্ত প্রতিরোধ পর্ব কোথায় গিয়ে ঠেকে, তা দেখতে।

এক্ষেত্রে যেমন কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে— তারা তো বটেই পাশাপাশি যেখানে কোনো অঘটন ঘটেনি, তারাও নিরাপত্তা জোরদার করেছে। এক্ষেত্রে নীতি সংস্কারের মাধ্যমে বিশেষ করে শিশুদের সুরক্ষায় জোর দেয়া হয়েছে। অন্তত কোচ নিয়োগের ক্ষেত্রে তাদের অতীত রেকর্ড রিভিউ করে দেখা হচ্ছে প্রায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে। শুধু শিশুদের পাশাপাশি ক্রীড়াক্ষেত্রেই নয়, প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই এ ধরনের রিভিউ সিস্টেম গুরুত্বের সঙ্গে রাখা উচিত। অন্তত যেখানে এ ধরনের অঘটন ঘটে বা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে, সেখানে ভবিষ্যতে যাতে এমন আর না হয়, তাই আগে থেকেই উপযুক্ত পদক্ষেপ নেয়া উচিত। এর বাইরে যে প্রতিষ্ঠানগুলো পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী নিয়ে কাজ করছে, তাদের লোকবল নিয়োগের ক্ষেত্রেও এমন সতর্ক থাকা উচিত। বিশ্বের যেসব দেশে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী কাজ করছে, সেখানেও নারী ও শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন।

এক্ষেত্রে প্রতিটি সংস্থার উচিত, নিজ নিজ দায়িত্ব বুঝে নিয়ে কাজ করা। আমরা দেখেছি, ফিফার বিভিন্ন দুর্নীতি-সম্পর্কিত কেলেঙ্কারি প্রতিরোধকারী অঙ্গ সংস্থান, স্পন্সর এবং বিনিয়োগকারীদের প্রত্যেকের ভূমিকায় সেখানে নানামুখী পরিবর্তন এসেছে। এর বাইরে তাদেরও সদিচ্ছা রয়েছে সব ধরনের অনিয়মমুক্ত হয়ে তাদের প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিতে। এক্ষেত্রে তারা মেনে নিয়েছে যে, বিভিন্ন কেলেঙ্কারি গোপন করে অল্প সময়ের জন্য রক্ষা পাওয়া যেতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদে তা অনেক বড় ক্ষতির কারণ হয়ে দেখা দিতে বাধ্য। আর সেদিক থেকে চিন্তা করেই সব ধরনের নৈতিক স্খলনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে তারা।

এক্ষেত্রে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার কোম্পানিগুলো তাদের সাপ্লাই চেইনের সঙ্গে জড়িত অন্য প্রতিষ্ঠানকেও এ ব্যাপারে উদ্যোগী হতে অনুপ্রাণিত এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে বাধ্য করেছে। এক্ষেত্রে ইলিগ্যাল লেবার প্র্যাকটিস, ব্যবসা এবং তার বাইরে আরো কিছু ব্যাপারে তাদের উদ্যোগ প্রশংসার দাবিদার। তবে যে প্রতিষ্ঠানগুলোর ইলিগ্যাল লেবার প্র্যাকটিসের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কিছু কারণে কর্মীদের যৌন হয়রানি থেকে রক্ষা করা যাচ্ছে না, তারাও সমানভাবে দোষী।

তবে শিশুদের যৌন হয়রানি নতুন কোনো সমস্যা নয়। তাই একে দূর করার জন্য দীর্ঘমেয়াদি ও শক্তিশালী উদ্যোগ নিতে হবে। বিশেষ করে বড় বড় প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীরা সতর্ক হলে উপযুক্ত ফান্ড গঠন করা সম্ভব হবে, যার মাধ্যমে এই অপকর্ম প্রতিরোধ করা যায়। একটি পর্যায়ে এসে উচ্চবিত্তের ওপর থেকে সবার আস্থার জায়গাটা নষ্ট হয়ে গেছে। ঠিক যেমনি মানুষ রাজনীতিবিদদের বিশ্বাস করতে চায় না। এ অবিশ্বাসের গোলক ধাঁধা থেকে বের হয়ে আসার ক্ষেত্রে কোম্পানিগুলো উপযুক্ত ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি শিশুদের অধিকার নিশ্চিতকরণ ও সুরক্ষায় তারা যদি কার্যকর পদক্ষেপ নেয়, তবে প্রক্রিয়াটা অনেক সহজ হয়ে যাবে। অন্তত যা-ই হোক, কোনো অজুহাতেই আর দেরি করার সুযোগ এখন নেই।

মার্কাস ভেঞ্চার কনসাল্টিংয়ের প্রধান নির্বাহী লুসি পি. মার্কাসের লেখা থেকে অনূদিত।

Dr. Md. Adnan Arif Salimhttp://salimaurnab.com/
জন্ম ১৯৮৯ সালের ১ নভেম্বর কুষ্টিয়াতে। পাবনার পাকশীতে পৈত্রিক নিবাস। পিতা মরহুম আরিফ যুবায়ের এবং মা সেলিনা সুলতানা। বর্তমানে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপেন স্কুলে ইতিহাসের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। পাবনা জেলার পাকশীর নর্থ বেঙ্গল পেপার মিলস হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক ও কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে ২০০৭ সালে ভর্তি হন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। ২০১১ সালে স্নাতক সম্মানে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে উত্তীর্ণ হন। এর পরের বছর ঐ একই বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তরের পাঠ শেষ করেন। স্কুল পর্যায় থেকে নানা ধরণের লেখালিখি ও অনুবাদ কর্মের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও নন্দিত ইতিহাস গবেষক অধ্যাপক এ কে এম শাহনাওয়াজের গবেষণা সহকারী হিসেবে প্রথম ইতিহাস বিষয়ক লেখা শুরু করেন। পরবর্তীকালে এই একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি গবেষণা শেষ করেন। পাশাপাশি লিখেছেন বেশ কয়েকটি বৈষয়িক গ্রন্থ। একক কিংবা সহলেখক হিসেবে তার প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ইতিহাস ও ঐতিহাসিক, বাংলাদেশের ইতিহাস ও জাতিসত্তার বিকাশ, আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস (১৪৫৩-১৭৭৯ খ্রি.) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫ খ্রি.), গুপ্তগোষ্ঠী ফ্রিম্যাসনারির কথা, গুপ্তগোষ্ঠী ইলুমিনাতি, বাংলাদেশের সমাজতত্ত্ব, প্রত্নচর্চায় বাংলাদেশ, জেরুজালেম, তাজমহলের গল্প, হালাকু খান, শের শাহ, পিরামিড প্রভৃতি। সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে তার ইতিহাসচর্চায় ভূগোল শীর্ষক গ্রন্থটি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Your Rating:05

Thanks for submitting your comment!

Must Read

তোমরা যারা ডেথ রেস খেলো

১. কিছুদিন আগে আমার সাথে দুইজন ছাত্রী দেখা করতে এসেছে। রাগে দুঃখে ক্ষোভে তাদের হাউমাউ করে কাঁদার মত অবস্থা, কিন্তু বড় হয়ে গেছে বলে সেটি...

কোথাও কেউ নেই

গ্রামবাংলার একটি জনপ্রিয় প্রবচন হচ্ছে, ‘মানুষের ভাগ্য আর লুঙ্গি বড়ই অদ্ভুত, এর কোনটা কখন খুলে যায় বলা কঠিন।’ ভাগ্য খোলা আসলে অনেক বড় কিছু,...

যে ‘দিদি’ এবং ‘ভাই’ আমাদের ভাবায়

জয়দেবপুর রেল জংশন থেকে সেই সুনামগঞ্জ কতটা পথ! সড়ক যোগাযোগের কথা বাদ দেয়া যাক। সরাসরি রেলপথেও সেখানে যাওয়ার সুযোগ কম। তবু শয়নে-স্বপনে নয়, যাপিত...

বাংলার মধ্যযুগ চর্চার পথিকৃৎ

আজ বাংলার ইতিহাসের কিংবদন্তী গবেষক, প্রখ্যাত লেখক, মধ্যযুগের বাংলার মুদ্রা ও শিলালিপি বিশেষজ্ঞ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল করিমের মৃত্যুদিবস। শুরুতেই...

বালিশ উত্তোলনের ইতিহাস

কি শুনে হাসি পায়! বালিশ উত্তোলনেও আমাদের আছে হাজার বছরের ঐতিহ্য। আমার অনেক প্রিয় লেখকদের একজন Simu Naser। তিনি তাঁর ফেসবুক পোস্টে নতুন চাকরিতে...