একুশ শতকে সম্পদের বৈশ্বিক অসাম্য

সম্পদগত অসাম্যের ডিনামিকস বিশ্লেষণ করলে জাতীয় অবস্থান থেকে তা নেহাত ক্ষুদ্রই মনে হতে পারে। ব্রিটেন ও ফ্রান্সের বিভিন্ন ব্যক্তির বিদেশে থাকা সম্পদ নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। তবে বৈশ্বিক সম্পদের অসাম্য বৃদ্ধিতে তার ভূমিকা কতটুকু, এটা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই গেছে। তবে এক্ষেত্রে আরো কিছু বিষয় স্পষ্ট করা দরকার, কারণ সম্পদের বৈশ্বিক অসাম্য ভবিষ্যতে বিশ্বশান্তির জন্যও হুমকি হয়ে দেখা দিতে পারে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য ১৯-২০ শতকের প্রারম্ভে ব্রিটেন ও ফ্রান্সের মালিকানাধীন বিদেশী প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করা যেতে পারে। তবে এর সঙ্গে আরো কিছু বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে বলা প্রয়োজন। কারণ বৈশ্বিক পর্যায়ে সম্পদের অসাম্য আগামীতে সবার জন্যই দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। এক্ষেত্রে আমি বৈশ্বিক পরিসর এবং কাজের মুখ্য চালিকাশক্তির ক্ষেত্রে ডিনামিকস অব ওয়েলথ ইনইকুয়ালিটি নিয়ে আলোচনা করতে আগ্রহী। সম্পদের বৈশ্বিকীকরণ প্রকল্পের ঝুঁকিটা তাহলে কোথায়, যা ভবিষ্যতে আগের তুলনায় অনেক বেশি মূলধন এনে জড়ো করবে। আসলেই কি এ ধরনের ঘটনা তাহলে ঘটেনি?

এমন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিতে গিয়ে, আমি প্রথমেই ইনডিভিজুয়াল ফর্চুনের প্রতি গুরুত্ব দেব। এখানে ভেবে দেখা প্রয়োজন মূলধন কি গিয়ে তাদের কাছে জমা হচ্ছে, যারা বিশ্বের নানা প্রভাবশালী ম্যাগাজিনের বিবেচনায় ‘বিশ্বের সেরা ধনী’ খেতাব পেয়েছেন এবং একুশ শতকে এসে তাদের সংখ্যাও কি বেড়ে গেছে? ঠিক এর পরই আমি একটি শতকের অসাম্য নিয়ে প্রশ্ন করব। আজকের ধনী দেশগুলো কি ধীরে ধীরে বিশ্বের বিভিন্ন তেল রফতানিকারক দেশ, চীন কিংবা তাদের দেশের বিলিয়নেয়ারদের হাতেই বন্দি হয়ে পড়বে? এ বিষয়টি বিশ্লেষণের আগে আমি আরো কিছু এ-যাবত্ কম গুরুত্বপূর্ণ কিংবা গুরুত্বহীন বিষয় নিয়েও আলোচনা করতে চাই, যেগুলো মূলধনের অসম প্রত্যাবর্তনের পেছনে দায়ী।

মূলধনের ওপর রিটার্নের অসাম্য: বেশির ভাগ অর্থনীতিবিদ মনে করেন, মালিক ভিন্নতায় মূলধন রিটার্নে হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে না বললেই চলে। এক্ষেত্রে তাদের আকৃতি কত বড় কিংবা ছোট, সেটা অনেক ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করে না বললেই চলে। তবে কিছু বিশ্লেষক মনে করেন, বড় পুঁজি লগ্নিকারী ব্যক্তিদের রিটার্ন এবং লভ্যাংশ অনেক ক্ষেত্রেই ছোট পুঁজি লগ্নিকারীদের চেয়ে বেশি। তবে এর পেছনে অনেক কারণ জড়িত। এক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে অর্থ ব্যবস্থাপনার বিষয়টি। ১ লাখ কিংবা ১ বিলিয়ন ইউরোর মালিক প্রয়োজন অনুযায়ী সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও অর্থনৈতিক উপদেষ্টা নিয়োগ করতে পারেন। এক্ষেত্রে ‘ইকোনমিকস অব স্কেল’ যথাযথ বাস্তবায়নে সক্ষম হওয়ায় তাদের পক্ষে এটা করা সম্ভব হয়। উপযুক্ত ব্যবস্থাপনার ফলেই তাদের পক্ষে কাঙ্ক্ষিত রিটার্ন পাওয়া সম্ভব। দ্বিতীয়ত. এ ধরনের নিশ্চয়তা থাকলে সহজেই একজন বিনিয়োগকারী ঝুঁকিপূর্ণ খাতেও বিনিয়োগ করার সাহস দেখান। এক্ষেত্রে পরিস্থিতির সহনশীলতা কিংবা বৈপরীত্য তার ভবিষ্যত্ কর্মপন্থাকে গতিশীল বা অন্তরায় হিসেবে কাজ করে না। তবে বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে দ্বিতীয়টি থেকে প্রথমটিকে অধিক গুরুত্বের সঙ্গে অনুশীলনে আনা প্রয়োজন। এটা ঠিক যে, অপেক্ষাকৃত কম পুঁজি বিনিয়োগকারীদের রিটার্ন আসছে ৪ শতাংশ বা তার কাছাকাছি আর ধনীরা তার চেয়ে অনেক বেশি অর্থাত্ ৬ বা ৭ শতাংশের মতো রিটার্ন পাচ্ছেন। এক্ষেত্রে কম অর্থ বিনিয়োগকারীদের ২ বা ৩ শতাংশ কম মুনাফা মেনে নিয়েই কাজ করতে হবে।

এক্ষেত্রে পরিস্থিতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে ব্যবসা চালিয়ে গেলে একটা পর্যায়ে এসে রিটার্নেও অসাম্য অনেকাংশে কমে আসে, যা আনুপাতিকভাবে সম্পদের পরিমাণের সঙ্গে সম্পর্কিত। ক্যাপিটাল বিন্যাসের আমূল পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এ ধরনের কৃেকৗশল অনেক দিক থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করে থাকে। পরিসংখ্যানগত বর্ণনার দিক দিয়ে বিচার করতে গেলে এ পরিবর্তন অনেক ক্ষেত্রে আঞ্চলিক, তবে তার বৈশ্বিক প্রভাবও গুরুত্বপূর্ণ। বৈশ্বিক সম্পদের বিন্যাস ও কাঠামোগত অবস্থান বিশ্লেষণ করার ক্ষেত্রে এটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। আর একই কাঠামোর মধ্যে সম্পদ বিন্যাসের বৈপরীত্য থেকেই মূলধন ও রিটার্নের এ অসাম্য পরিমাপ করা যেতে পারে। তবে প্রথম থেকে নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে সম্পদের অসমতা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বেড়েই চলে। এ অসমতার ক্রমাগত বৃদ্ধি বৈশ্বিক পরিসরে শেষ পর্যন্ত বিশাল আকার নিয়ে আবির্ভূত হয়। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এ পরিবর্তন যেমন ধীর ও ধারাবাহিক, তেমনি পরিস্থিতি বিচারে হঠাত্ করেও এ পরিবর্তনের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। এর পেছনে বিদ্যমান অনেক কারণ থেকে রিটার্নের অসাম্যকেই সবচেয়ে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত। বিশেষ করে রিটার্নের এ অসাম্য ধনীদের ক্রমাগত ধনী আর দরিদ্রদের আরো দারিদ্র্য করেছে। সরকারি কিংবা বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ ও বাণিজ্যিক অবস্থানের সঙ্গে এ ঘটনাকে সহজেই সম্পৃক্ত করা যেতে পারে।

যদি বৈশ্বিক পরিসরে প্রবৃদ্ধির হার অনেক বেশি থাকে, তবে এর সঙ্গে মিল রেখে আঞ্চলিক ক্ষেত্রেও প্রবৃদ্ধি ও রিটার্ন দুই-ই বেড়ে যায়। আর মূলধনের এ ধারাবাহিক অবনতি আয় ও সম্পদের প্রবৃদ্ধিকেও নানা দিক দিয়ে প্রভাবিত করে। বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির হার যদি ১৯৯০ থেকে শুরু করে ২০১২ পর্যন্ত প্রতি বছর ৩ দশমিক ৫ শতাংশ হয় এবং তা যদি ২০৩০ পর্যন্ত অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে বড় স্কেলে প্রবৃদ্ধির হিসাব করাটা বেশ কঠিন হয়ে যাবে। পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থাকলে ধনী রাষ্ট্রগুলো ধীরে ধীরে আরো বিত্তবান হয়ে উঠবে। পক্ষান্তরে কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধির দেখা না মেলায় আরো অসহায়ত্বের মুখে পড়বে অপেক্ষাকৃত কম ধনী ও দরিদ্র দেশগুলো। অনেক ক্ষেত্রে বৈশ্বিক পরিসরে প্রবৃদ্ধি কমে ১ থেকে ২ শতাংশেও নেমে আসতে পারে।

এখনকার বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি হিসাব করতে গেলে একটি বিশাল জনগোষ্ঠীর অবস্থান ও সম্পদের পরিমাণ নিয়ে কাজ করাটা জরুরি। এক্ষেত্রে একেবারে নিম্ন আয়ের মানুষ থেকে শুরু করে ধনী মানুষের আয়ও হিসাবের মধ্যে পড়ে যায়। ফলে মাথাপিছু সম্পদের হিসাব যখন করা হয়, তখন একটি গলদ থেকেই যায়। অনেক ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তির আয় বা সম্পদের পরিমাণ লক্ষাধিক মানুষকে ছাড়িয়ে গেলেও পরিসংখ্যান ও সংখ্যার হিসাবে ওই একজনকেই বিবেচনা করা হয়। আর এক্ষেত্রে সম্পদের অসাম্য ও প্রবৃদ্ধিগত অবস্থান নির্ধারণ হয়ে ওঠে অনেক বেশি কঠিন। তবে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী কে, তার চেয়ে বড় কথা হচ্ছে, সামনের সারিতে থাকা সম্পদশালী ব্যক্তিদের সম্পদ ক্রমে বেড়ে যাচ্ছে। এতে তালিকার সামনে থাকা ব্যক্তিদের অবস্থান স্থির না হয়ে ক্রমপরিবর্তনশীল ও অবস্থান্তর ঝুঁকির মধ্যে থেকে গেছে। একজন ব্যক্তি হয়তো নির্দিষ্ট মেয়াদের ব্যবসায় অনেক বেশি মুনাফা অর্জন করে সম্পদশালী হিসেবে সাফল্যের স্বর্ণশিখরে অবস্থান নিয়েছে। কিন্তু সাময়িক দুর্ঘটনা তাকে বাধ্য করেছে সে অবস্থান থেকে নিচে নেমে যেতে। এভাবে ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় ক্রমাগত পরিবর্তন  মূলধন ও বিনিয়োগ থেকে শুরু করে রিটার্নকেও প্রভাবিত করে।

এদিক থেকে হিসাব করলে বিশ্বের ধনী দেশগুলোর সুবিধাজনক অবস্থান ও দরিদ্র দেশগুলোর অপেক্ষাকৃত বিপন্নতা দৃষ্টিগোচর হয়। আর দেশ থেকে দেশে, ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সম্পদের বিন্যাসে এ ধরনের অসমতা ও বৈষম্য দীর্ঘস্থায়ী পরিসরে ভয়াবহ পরিণতি বয়ে আনতে পারে। আন্তর্জাতিক পরিসরে সম্পদের অবস্থান পর্যবেক্ষণ করে ক্যাপিটালের রিটার্ন হিসাব করা উচিত। এক্ষেত্রে বিশেষ কিছু মানদণ্ড সামনে রেখে হুটহাট র্যাংকিং করে ফেলাটা হবে ভুল। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিচালিত জরিপ ও গবেষণার ফল অনেক গ্রহণযোগ্য ও কার্যকর মনে হতে পারে। এখানে পরিসংখ্যান থেকে এমন সব তথ্যের দেখা মিলতে পারে, যা বাস্তব হলেও মানদণ্ডের বিচারে অকল্পনীয় ও অভাবনীয়। এদিকে সম্পদের সার্বভৌম বিনিয়োগকারীরা বিশেষ করে চীন ও বিভিন্ন তেল উত্পাদনকারী দেশের ভূমিকা পর্যবেক্ষণ করাটা জরুরি। বিষয়গুলো দেশ অনুযায়ী সম্পদের অসমতার প্রশ্নকে আরো গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।

বৈশ্বিক সম্পদের ক্রমিক বিবর্তন: যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন ম্যাগাজিন যেমন ফোর্বসের করা র্যাংকিং নিয়ে অর্থনীতিবিদদের তেমন কোনো মাথাব্যথা নেই বললেই চলে। বিশেষ করে এ ধরনের পত্রিকার করা তালিকায় পদ্ধতিগত অনেক দুর্বলতা ও ত্রুটি থেকেই যায়। এক্ষেত্রে তথ্যঘাটতি থেকে শুরু করে সততার প্রশ্নটিও ঘুরে ফিরে এসেছে। তাই সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বজুড়ে সম্পদের বণ্টন থেকে শুরু করে পূর্ববর্তী অবস্থানের বিবর্তন বোঝার ক্ষেত্রে এমন তালিকা যথেষ্ট হয়ে ওঠে না বললেই চলে। সম্পদগত এ তালিকা নৈতিকতার মানদণ্ডে কতটা উত্তীর্ণ, আইনগত দিক থেকে কতটা বৈধ তার চেয়ে বড় হয়ে দেখা যায় এর সামাজিক চাহিদা। মানুষ বিশ্বব্যাপী সম্পদের বিস্তার ও বণ্টন নিয়ে জানতে চায়; এরা একটি তালিকা তৈরি করে মানুষকে তা জানার সুযোগ করে দেয়। আর সেদিক দিয়ে ধরতে গেলে এ তালিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন থাকলেও জনপ্রিয়তা কোনো দিকেই কমেনি বৈ বেড়েছে। আর অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তথ্যগত যে ঘাটতি থেকে যায়, তা সম্পদের গ্লোবাল ডিনামিক্স কম বোঝার প্রক্রিয়াকেই অনেক বেশি সমস্যায়িত করে তোলে। তাই অর্থনীতিবিদদের উদ্বেগটা সেখানেই।

তবে অনেক ম্যাগাজিন সরকারি-বেসরকারি খাত থেকে তথ্য নিয়ে তাদের র্যাংকিং পদ্ধতির উন্নতি ঘটাতে চেষ্টা করেছে, যেটা নিঃসন্দেহে আশার কথা। এতে সময়ের আবর্তে বিশ্বজুড়ে সম্পদের বিন্যাস বোঝাটা সহজ ও কার্যকর হয়ে উঠতে পারে। তবে বৈশ্বিক ক্ষেত্রে তথ্যগত দুর্বলতা কাটিয়ে উঠে একটি গ্রহণযোগ্য ও যুক্তিযুক্ত তালিকা করা তাদের জন্যও  হয়ে ওঠে বড় চ্যালেঞ্জ। তবে নিয়মতান্ত্রিক তালিকার ক্ষেত্রে ফোর্বস বিখ্যাত। তারা ১৯৮৭ থেকে শুরু করে আজ অবধি বিশ্বের নানা দেশের বিলিয়নেয়ারদের তালিকা তৈরি করে সেখান থেকে শীর্ষ ধনীদের অবস্থান প্রকাশ করে চলেছে। তারা এ তালিকায় সব ধরনের খাত ব্যবহার করে। তবে শীর্ষ ধনীদের অনেক সম্পদ অপ্রকাশিত থেকে যায়, যেগুলো এ ধরনের তালিকায় উঠে আসা অনেক ক্ষেত্রে সম্ভব হয়ে ওঠে না। ফলে সম্পদের অসমতা আরো প্রকট হলেও সময়ের হিসাবে সেটা অপ্রকাশিতই থেকে যায়। আর বিশ্বের হিসাবে প্রায় প্রতিটি দেশের শীর্ষ ধনীর আয় হিসাব করে তাদের মাধ্যমে সৃষ্ট মূলধন ও অর্থনৈতিক অসমতা হিসাব করাটা অনেক কঠিন একটা কাজ। এক্ষেত্রে অন্তত তথ্যগত ঘাটতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হলে প্রণীত তালিকাকে আরো বেশি যুক্তিযুক্ত, গ্রহণযোগ্য ও মানসম্মত করে তোলা সম্ভব। সেদিকে অনেক বেশি যত্নবান হয়ে ওঠায় কিছু কিছু পত্রিকা থেকে শুরু করে বেসরকারি সংস্থার করা তালিকাকেও এখন তাই গুরুত্ব দিতে হচ্ছে।

 

ফরাসি অর্থনীতিবিদ থমাস পিকেটির ক্যাপিটাল ইন দ্য টোয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরি গ্রন্থের ১২তম অধ্যায়ের ‘দি ইনইকুয়ালিটি অব রিটার্নস অন ক্যাপিটাল’, ‘দি ইভোলুশন অব গ্লোবাল ওয়েলথ র্যাংকিংস’ ও ‘ফ্রম  র‍্যাংকিংস অব বিলিয়নেয়ারস টু গ্লোবাল ওয়েলথ রিপোর্টস’ থেকে সংক্ষেপে ভাষান্তরকৃত।

Related posts

Leave a Comment

Your Rating:05

Thanks for submitting your comment!