Home দিনলিপি আমার প্রথম সন্দ্বীপ দর্শন

আমার প্রথম সন্দ্বীপ দর্শন

আনুমানিক তিনটা ১০ মিনিট। শুনশান রাতের নীরবতা খান খান করে ছুটতে থাকা বাসটা হঠাৎ থমকে দাঁড়ালো চট্টগ্রামের ছোট কুমিরা ফেরিঘাটের বাসস্ট্যান্ডে। বিস্ময়ের প্রথম ধাক্কা সামলে নিয়ে জানতে চাইলাম কন্ডাকটরের কাছে এটা কি কুমিল্লা নাকি কুমিরা। সে সম্মিত ফিরে জানায় কুমিরা। আমি জানতে চাইলাম বড়টা নাকি ছোট টা। সে বলে ছোটটা। সুতরাং আর রেহাই নাই। বাসের সিটে বসেই শীতের সঙ্গে পাঞ্জা লড়তে হচ্ছিলো। তখন যে বাস থেকে নামতে হবে এটা ভেবেই গায়ে কাঁটা দিচ্ছিলো।

বাস থেকে নেমে পড়লাম ছোট কুমিরায়। মানুষ দূরের কথা, পুরো রাস্তার চারপাশে একটা কুকুর পর্যন্ত চোখে পড়লো না। অকেক্ষণ পর দেখলাম একটা কুকুর। ব্যাগ থেকে টোস্ট বিস্কুট বের করে তাকে খেতে দিলাম। বলাই বাহুল্য কুড়মুড় করে পুরোটা গলধঃকরণ করে একটা তৃপ্তির ঢেকুর তোলা সেই কুত্তাটাও আমায় বিশেষ পাত্তা না দিয়ে তার পথ ধরলো। এরপর আরো আধাঘণ্টা পুরো একাকী ঠায় দাঁড়িয়ে রইলাম রাস্তায়।

ভাগ্যের শিকে ছিঁড়লো, আরো তিন হতভাগ্যের আগমণের মধ্য দিয়ে। পৌনে চারটার দিকে শ্যামলী পরিবহনের একটা বাস এসে থামলো। নেমে এলেন তিনজন নারী। বলতে গেলে মা এবং তার দুই মেয়ে। বড় জন পড়েন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃতীয় বর্ষে আর পিচ্চিটা সবে ক্লাস নাইনে উঠেছে। জে এস সি সে গোল্ডেন এ প্লাস প্রাপ্তির গর্বটা এই শীতের রাতে কাঁপতে কাঁপতে ঠিকই প্রকাশ করলো সে। গল্পেজল্পে আরও পনের মিনিট পার হয়। তারা তিনজনসহ একটা বন্ধ দোকানের বারান্দায় বসেছিলাম কিছুক্ষণ। হঠাৎ ভাবলাম বন্ধ চায়ের দোকানে বাইরে থেকে নক করে দেখি, যদি দোকানি জেগে ওঠে। কিছু না হোক শীতের যন্তণা কিছুটা লাঘব হবে। সে আশার গুড়ে বালি, কুম্ভকর্ণ দোকানির সম্বিত ফিরলো না।

নতুন আপদের আমদানি। কল্পকথার চট্টগ্রাম, যার গালগল্পের পাখি এক ডানায় ওড়ে, যেখানে কোনো বাসের মধ্যে কারো পকেট থেকে পয়সা পড়ে গেলে কুমিল্লা পার হওয়ার আগে মানুষ তা তোলার সাহস দেখায় না সেখানে এক ব্যতিক্রমী মুরুব্বির আগমণ। বুড়ো খাটাশটার পরণে একটা দামি লুঙ্গি, গায়ে ব্লেজার, স্টাইলিশ মাফলার আর ঘাড়ের দুপাশ থেকে ঝুলছে একটা কাশ্মিরী শাল। সেটা ভিন্ন বিষয়, একটা অচেনা মানুষকে কেনো খাটাশ বললাম সেটা প্রমাণ করা জরুরী। তিনি এসেই সৌদি শেখদের ভোগ্যপণের নারী কেনার স্টাইলে আগা থেকে গোড়া চোখের সক্ষমতায় গ্রাস করতে চেষ্টা চালাচ্ছেন মা মেয়েদের। আমি সোজা গিয়ে তার সামনে দাঁড়াতেই তার ভাবখানা এমন ‘তুই কে শ্লা, এইখানের কি করিস’। বিস্ময়ের ধাক্কা শেষ না হতেই মুরুব্বির প্রশ্ন ‘হ্যারা আন্নের সাথে নি’। আমি বিরক্ত হয়ে বললাম ‘কেনো’। উত্তর আসলো ‘হ্যারা ধলা, আন্নে এত কালা তো তাই’। মেজাজ খিঁচড়ে ছিলো এম্নিতেই তেড়ে গেলাম বদ বুড়োর দিকে। সে ভয় পেয়ে লুঙ্গি গুটিয়ে নিয়ে দিলো ভো দৌড়। খেয়াল করলাম সে একটা উলের মোজাসহ কেডসও পরা ছিলো।

তখনও ফজরের আযান হয়নি। অর্থাৎ ভোর হওয়ার ঢের বাকি। দুশ্চিন্তায় আত্মরাম খাঁচাছাড়া হওয়ার জোগাড়। বিশেষত, এই বুড়ো প্রাথমিকভাবে ভয় পেয়ে দৌড় তো দিলোই। পরে আবার দলবল নিয়ে এসে হানা না দেয়। তাছাড়া তখনও মানুষ বলতে ঐ বাসস্ট্যান্ডে আমরা এই চারজনই। যাই হোক ঐ বুড়ো আর ফিরে এলো না, এলো আরো আরও কয়েকজন যাত্রী। যাদের প্রত্যেকের চোখে মুখে বিরক্তির ছাপ। প্রত্যেক যাত্রীকে এই প্রথম ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখলাম যানজট নেই কেনো তা বলে। যাই হোক ফজরের আযান হতেই, আস্তে আস্তে নীরব এলাকা সরব হয়ে উঠতে দেখলাম। এই জনপদের প্রায় প্রত্যেক সক্ষম মুসলিম পুরুষই বোধহয় ফজরের নামাযে মসজিদে আসে এমনটা মনে হলো।

তারপর সিএন্ডজি চালিত অটোটেম্পুযোগে কুমিরা বাসস্ট্যান্ড থেকে স্পিডবোট ঘাট। অবাক হয়ে লক্ষ করলাম ৪০-৫০ টাকার স্থলে ভাড়া চেয়ে বসা হচ্ছে ২৫০-৩০০ টাকা। বিস্ময়ের শুরুটা এখানেই। ভাগেযোগে ১০০ টাকার মত ভাড়া গুণে স্পিডবোট ঘাট পৌঁছে যাই। তারপর টিকিট কাটতে লেগে গেলো আরও ৩০০ টাকার মত। গায়ে ৩০০ টাকা লেখা টিকিট যাত্রী কম থাকায় ২৫০ টাকায় পর্যন্ত বিক্রি হওয়ার নজির যেমন আছে। তেমনি যাত্রী বেড়ে গেলে এই টিকিটই ৫০০ পর্যন্ত উঠতে সময় নেয় না। যাই হোক টিকিট কেটে কাউন্টার থেকে বের হতেই সামনে দেখি ভেজা স্যাঁতসেঁতে একটা ভ্যান। তারা ঐ ভ্যানে চড়তে প্রত্যেক স্পিডবোট যাত্রীকে বাধ্য করছে। খুব বেশি দূর না হওয়ায় পায়ে চালিত ট্যাক্সিতেই ভরসা রাখতাম আমি।

যাই হোক, হয়ত নির্ঘুম রাতে ক্লান্তিতেই হয়ত কি ভেবে চেপে বসলাম ভ্যানে। ছয়জন যাত্রী বহনকারী এই মালবাহী ভ্যান থেকে নামতেই ভাড়া চেয়ে বসা হয় জনপ্রতি ৫০ টাকা হিসেবে ৩০০ টাকা। পুরো অবাক হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি সবাইকে ঢের অবাক করে দিয়ে বললাম তোর এতো টাকা দেয়ার সাধ্য আমার নাই। আমি তোকে পাঁচ টাকা দেবো, এতে না হলে যেখান থেকে নিয়ে আসলি ঐখানে নামিয়ে দিয়ে আয়। এই কথা শুনে যাত্রীরা সবাই হো হো করে হেসে উঠলো। আর ভ্যানঅলার বিরক্তি দেখে কে। বচসা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। শেষ পর্যন্ত ৩০০ টাকার স্থলে সে ভাড়া পায় মাত্র ২০ টাকা। এবং বেশ খুশি মনেই তাকে ফেরত যেতে দেখলাম।

পাশাপাশি বলে রাখা ভালো যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়া দেখে যাঁরা টিকিট কেটেছেন তাদের মধ্যে ২০ টাকা নিয়ে বাছাই করা যাত্রীকেই টিকিট কাটার লাইনে দাঁড়াতে দেয়া হয়েছে। অর্থাৎ টিকিটের বাইরে যারা অতিরিক্ত ২০+২০= ৪০ টাকা গুণেছেন তারাই প্রথম ট্রিপের স্পিড বোটে উঠতে পেরেছেন। এতে বাধা দেয়ায় ক্ষিপ্ত কাউন্টারঅলা প্রায় মিনিট বিশেক টিকিট বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছিলো। স্থানীয় প্রভাবশালী কোনো নেতার পরমাত্মীয় এই কাউন্টারম্যান টিকিট বিক্রিরত অবস্থাতেই থেকে থেকে তার বিয়ারক্যানে চুমুক দিচ্ছিলো। টকটকে লাল চোখের লোকটির কণ্ঠস্বর এবং আচরণে মাতলামির ছাপ সুস্পষ্ট ছিলো।

অবাক হলাম আরেকদফা। স্পিডবোটের ড্রাইভার তার সিটে বসে ড্রাইভ করছে না। যাত্রীদের মধ্যে একজনের থেকে আরও অতিরিক্ত ১০০ টাকা নিয়ে সে তাকে নিয়ে বসিয়েছে তার ড্রাইভিং সিটে। আর সে স্ট্যাচুর মত দাঁড়িয়ে বিপদজনকভাবে ড্রাইভিং করছে স্পিডবোট। যাই হোক নানা ঘটন-অঘটনে পৌঁছে গেলাম সন্দ্বীপের ঘাটে, সেখানে নামার আগে বখশিশের নামে প্রত্যেকের কাছ থেকে আরও ২০ টাকা আদায় করলো ড্রাইভার। অতীত অভিজ্ঞতার জের ধরে এবার ভরসা রাখলাম নিজের পায়েচালিত ট্যাক্সির উপর। ভেজা স্যাঁতস্যাতে ভ্যানের উপর তেল চিটচিটে চট লাগিয়ে এবারের ব্যবস্থাটা আরও অভিনব মনে হলো। তবে সেটাতে চড়ে বসার মত দুর্ভাগ্য হয়নি এবার আর? ভ্যানঅলা এগিয়ে আসতেই কোনো কথার উত্তর না দিয়ে ভয়ানক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকলাম কিছুক্ষণ। সে হয়ত কোনো ভয়ের চিহ্ন পেয়েই সটকে পড়ল সেখান থেকে।

তারপর…
এবং.. অতঃপর…..
উপকূলীয় ডাকাতদলের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের গল্পগুলো চিরন্তন। সেটা এত কাছে থেকে দেখার সুযোগ হবে ভাবিনি। এতো বিড়ম্বনার মধ্যে ঐ ঘটনাটাকেই বলা চলে মৃত্যুমুখ থেকে ফেরা। সাগরের আছড়ে পড়া ঢেউয়ের সঙ্গে ততোধিক উন্মত্ততায় এগিয়ে চলা দূরন্ত স্পিডবোটের গতি, কিংবা একরোখা বাসচালকের নির্লিপ্ততা আমায় সেভাবে টলাতে পারেনি। কিন্তু সামনা সামনি ডাকাতদের এমন লড়াইয়ের মধ্যে দিয়ে চলন্ত বাইকের পেছনে চেপে রাস্তা পার হওয়ার দুশ্চিন্তাটা ভোলবার মত নয়।
কারণটা ভিন্ন…
সিএন্ডজি চালিত অটোটেম্পুর উপর এবার আর ভরসা রাখতে পারিনি। তাই বেছে নিলাম মোটর বাইক। চালকের সঙ্গে কুস্তি লড়ে ভাড়া ঠিক করলাম ২৫০। ঘণ্টাখানেক চলার পর রহমতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের গেটে যখন নামলাম তখন দেখি তার অন্যরূপ। ভদ্রলোক বললেন তাঁরও নাকি বখশিশ লাগবে ১০০ টাকা। ত্যাদড়ামির শেষ সীমায় গিয়ে আমি তাকে যথারীতি বললাম ২৫০ টাকার এক পয়সাও বেশি দেবো না। তোমার যদি মনে হয় কম পড়েছে তাহলে আমাকে সেখানে আবার নামিয়ে রেখে আসো যেখান থেকে নিয়ে এসেছো। সে বুঝলো গতিক সুবিধার নয়, কাজ হবে না। তাই ৫০ টাকার জন্য অনুনয় বিনয় শুরু করলো। ত্যক্ত বিরক্ত হয়ে বুক পকেটে থাকা ২০ টাকার নোটটা বাড়িয়ে দিলাম। পান খেয়ে লাল, পাশাপাশি পোকায় খাওয়া দাঁত বের করে বীভৎস একটা হাসি দিল সে, তারপর বাইক স্ট্যার্ট করে ফিরতি পথে রওনা দিলো সেখান থেকে।
কিন্তু….
একজন শিক্ষকের স্বপ্ন, ভালোলাগা আর নিয়তি সবকিছু যাদের নিয়ে এবার তাদের মুখোমুখি। সত্যি মনটা ভালো হয়ে যায় পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে। দূর দূরান্ত থেকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই পৌঁছে গেছে শিক্ষার্থীরা। অল্প সংখ্যায় হলেও এই ছেলেমেয়েদের শিক্ষা নিয়ে যে প্রাণান্ত চেষ্টা, সেটা দেখেই বোধকরি পুরো রাতের নির্ঘুম ভ্রমণ, রাস্তায় ডাকাত দলের লড়াইয়ের মধ্যে পড়া কিংবা স্পিডবোট ঘাটের হয়রানি সব ভুলে যেতে চেষ্টা করি। অনেক প্রতিষ্ঠিত জনপদের নকলপ্রবণ কেন্দ্র দেখেছি, বিস্ময়ে দেখলাম সন্দ্বীপের এই ছেলেমেয়েগুলোর সততা। নকল করা দূরে থাক কেউ নকলের কথা চিন্তাও করেনা। আর বলা যায় এই কৃতিত্ব একজন শিক্ষকের। তিনি আর কেউ নন ইতিহাসের শিক্ষক কল্যাণ চন্দ্র নন্দী। এই ভদ্রলোক শুধু ঐ স্কুলটি নয়, আশেপাশের আরও অনেক স্কুলের ছেলেমেয়েদের কাছেও ভালোলাগার একটি নাম।
পরীক্ষা শেষ হওয়ার আগেই জোয়ার এসে যায়। বিপদ ঘনীভূত হতে থাকে। দ্রুত লয়ে ফিরে যাই চট্টগ্রাম। তারপর ঢাকা। সবমিলিয়ে এক মিশ্র অভিজ্ঞতা। ভালো মন্দ সবকিছুর মিশেলে মানুষ। সৎ, অসৎ, চরিত্রবান কিংবা লম্পট সব ধরণের মানুষ মিলিয়েই একটা জনপদ গড়ে ওঠে। আর তাইতো সব কষ্ট ভুলতে পারলেও ভুলতে পারছি না পরীক্ষা দিতে আসা ঐ সব শিক্ষার্থীদের হাসিমুখ। একটা ধন্যবাদ তাই অবশ্যপ্রাপ্য Bangladesh Open University এর প্রতি। এ ধরণের দুর্গম জনপদে পর্যন্ত শিক্ষার আলো নিয়ে কাজ করে যাওয়া প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষক হতে পেরে আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ আমার নিয়তির কাছে। ভালো থাক সন্দ্বীপ, ভালো থাকুক সব প্রিয়মুখ।

Dr. Md. Adnan Arif Salimhttp://salimaurnab.com/
জন্ম ১৯৮৯ সালের ১ নভেম্বর কুষ্টিয়াতে। পাবনার পাকশীতে পৈত্রিক নিবাস। পিতা মরহুম আরিফ যুবায়ের এবং মা সেলিনা সুলতানা। বর্তমানে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপেন স্কুলে ইতিহাসের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। পাবনা জেলার পাকশীর নর্থ বেঙ্গল পেপার মিলস হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক ও কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে ২০০৭ সালে ভর্তি হন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। ২০১১ সালে স্নাতক সম্মানে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে উত্তীর্ণ হন। এর পরের বছর ঐ একই বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তরের পাঠ শেষ করেন। স্কুল পর্যায় থেকে নানা ধরণের লেখালিখি ও অনুবাদ কর্মের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও নন্দিত ইতিহাস গবেষক অধ্যাপক এ কে এম শাহনাওয়াজের গবেষণা সহকারী হিসেবে প্রথম ইতিহাস বিষয়ক লেখা শুরু করেন। পরবর্তীকালে এই একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি গবেষণা শেষ করেন। পাশাপাশি লিখেছেন বেশ কয়েকটি বৈষয়িক গ্রন্থ। একক কিংবা সহলেখক হিসেবে তার প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ইতিহাস ও ঐতিহাসিক, বাংলাদেশের ইতিহাস ও জাতিসত্তার বিকাশ, আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস (১৪৫৩-১৭৭৯ খ্রি.) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫ খ্রি.), গুপ্তগোষ্ঠী ফ্রিম্যাসনারির কথা, গুপ্তগোষ্ঠী ইলুমিনাতি, বাংলাদেশের সমাজতত্ত্ব, প্রত্নচর্চায় বাংলাদেশ, জেরুজালেম, তাজমহলের গল্প, হালাকু খান, শের শাহ, পিরামিড প্রভৃতি। সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে তার ইতিহাসচর্চায় ভূগোল শীর্ষক গ্রন্থটি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Your Rating:05

Thanks for submitting your comment!

Must Read

তোমরা যারা ডেথ রেস খেলো

১. কিছুদিন আগে আমার সাথে দুইজন ছাত্রী দেখা করতে এসেছে। রাগে দুঃখে ক্ষোভে তাদের হাউমাউ করে কাঁদার মত অবস্থা, কিন্তু বড় হয়ে গেছে বলে সেটি...

কোথাও কেউ নেই

গ্রামবাংলার একটি জনপ্রিয় প্রবচন হচ্ছে, ‘মানুষের ভাগ্য আর লুঙ্গি বড়ই অদ্ভুত, এর কোনটা কখন খুলে যায় বলা কঠিন।’ ভাগ্য খোলা আসলে অনেক বড় কিছু,...

যে ‘দিদি’ এবং ‘ভাই’ আমাদের ভাবায়

জয়দেবপুর রেল জংশন থেকে সেই সুনামগঞ্জ কতটা পথ! সড়ক যোগাযোগের কথা বাদ দেয়া যাক। সরাসরি রেলপথেও সেখানে যাওয়ার সুযোগ কম। তবু শয়নে-স্বপনে নয়, যাপিত...

বাংলার মধ্যযুগ চর্চার পথিকৃৎ

আজ বাংলার ইতিহাসের কিংবদন্তী গবেষক, প্রখ্যাত লেখক, মধ্যযুগের বাংলার মুদ্রা ও শিলালিপি বিশেষজ্ঞ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল করিমের মৃত্যুদিবস। শুরুতেই...

বালিশ উত্তোলনের ইতিহাস

কি শুনে হাসি পায়! বালিশ উত্তোলনেও আমাদের আছে হাজার বছরের ঐতিহ্য। আমার অনেক প্রিয় লেখকদের একজন Simu Naser। তিনি তাঁর ফেসবুক পোস্টে নতুন চাকরিতে...