Home ইতিহাস বাংলার মধ্যযুগ চর্চার পথিকৃৎ

বাংলার মধ্যযুগ চর্চার পথিকৃৎ

আজ বাংলার ইতিহাসের কিংবদন্তী গবেষক, প্রখ্যাত লেখক, মধ্যযুগের বাংলার মুদ্রা ও শিলালিপি বিশেষজ্ঞ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল করিমের মৃত্যুদিবস। শুরুতেই মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। বাংলার ইতিহাস গবেষণার সঙ্গে যুক্ত থেকে যাঁরা নিজেই ইতিহাস হয়ে গেছেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম অধ্যাপক আবদুল করিম। আমার গবেষণা তত্ত্বাবধায়ক, শিক্ষাগুরু এবং ইতিহাস-প্রত্নতত্ত্ব চর্চার অভিভাবক অধ্যাপক এ কে এম শাহনাওয়াজ স্যারের কাছে শুনেছি তাঁর কথা। বাংলার ইতিহাস গবেষণার এই বটবৃক্ষের ছায়াতলে আশ্রয় নেয়ার সুযোগ হয়েছিল শাহনাওয়াজ স্যারের। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের দ্বিতীয় বর্ষ থেকে শুরু করে আজ অবধি প্রায় এক যুগ ধরে স্যার কাছে কথায় কথায় জেনেছি এই নিবেদিতপ্রাণ গবেষকের জীবনের নানাদিক। ফলে একটা মাটির সোরাহীতে রাখা ঠাণ্ডা পানি পান আর শুকনা টোস্ট বিস্কুট চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস থেকে শুরু করে তাঁর মূল কাজ তথা গবেষণার নানা তথ্য জানার সুযোগ হয়েছিল আমার।

শাহনাওয়াজ স্যারের মাধ্যমে প্রভাবিত হয়ে গবেষণার বিষয় নির্বাচন করায় অধ্যাপক করিমের গবেষণা অঞ্চলের সঙ্গে আমার এবং শাহনাওয়াজ স্যারের দুজনেরই গবেষণায় অনেক ক্ষেত্রে নির্ভর করতে হয়েছে করিম স্যারের সূত্রের উপর। একটু অন্যরকম বিষয় নিয়ে কাজ করতে গিয়ে আমার প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে স্যারের পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা জরুরি হয়ে দেখা দেয়। অদ্ভুতভাতে আমি যখন স্যারের কাছ থেকে বরাবর উদার সহযোগিতা পেয়েছি মনে হয়েছে করিম স্যার খুব সম্ভবত শাহনাওয়াজ স্যারকে ঠিক এভাবেই দিক নির্দেশনা দিয়েছেন। হয়ত তিনি তার ছাত্র হিসেবে স্যারকে যেভাবে সহযোগিতা করেছেন স্যার তার ধারবাহিকতা রক্ষা করে যাচ্ছেন।

যাই হোক শাহনাওয়াজ স্যারের কাছে শোনা গল্পে প্রথম জেনেছি, ওপার বাংলার প্রখ্যাত ইতিহাসবিদরা কতটা শ্রদ্ধা করেন করিম স্যারকে। তাকে মধ্যযুগের বাংলার ইতিহাস চর্চায় কিংবদন্তিতুল্য পণ্ডিত মনে করেন তারা। এর প্রমাণ পেয়েছি শ্রদ্ধাভাজন সুখময় মুখোপাধ্যায়ের বইয়ের উতসর্গপত্র থেকে। তিনি অধ্যাপক আবদুল করিমকে মধ্যযুগের বাংলার সর্বপ্রধান গবেষক হিসেবে স্বীকার করেছেন। এই বিরল সম্মান তিনি অর্জন করেছেন গবেষণায় দীর্ঘ অধ্যাবসায়ের মাধ্যমে। মধ্যযুগের বাংলার মুদ্রা ও শিলালিপিতে উৎকীর্ণ আরবি এবং সীমিতভাবে ফার্সি লিপিতে প্রকাশিত মুদ্রা ও শিলালিপির বক্তব্য পাঠোদ্ধার করেছেন তিনি। পাশাপাশি মধ্যযুগের, বিশেষ করে সুলতানি বাংলার মুদ্রা ও শিলালিপি বিশ্লেষণ করে অধ্যাপক করিম ইতিহাসের অনেক অজানা অধ্যায় উন্মোচন করতে পেরেছিলেন।

প্রাচীন এবং মধ্যযুগের কোনো শাসক দরবারি ইতিহাস লেখাতে ভূমিকা রাখেননি। মধ্যযুগ পর্বে দু-একটি ফার্সি ভাষায় লেখা বই পাওয়া যায় বটে, তা নানা ধরনের সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করতে পারেনি। ফলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে দিল্লিতে রচিত গ্রন্থের ওপর ভরসা করতে হয়েছে। এক্ষেত্রে মোগলপর্বের বাংলার ইতিহাস জানার কিছুটা সুযোগ থাকলেও সুলতানি পর্বের ইতিহাস রচনার তথ্য খুবই সীমাবদ্ধ। তারপরও যেটুকু তথ্য পাওয়া যায় তা বিচার করে রাজনৈতিক ইতিহাস রচনা করা যতটা সহজ, সামাজিক-সাংস্কৃতিক ইতিহাস চর্চা করা ততটাই কঠিন। এ বাস্তবতার কারণে অর্থাৎ সমকালীন তথ্য-সূত্রের অভাবে প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলার যেটুকু ইতিহাস আধুনিক ইতিহাসবেত্তারা রচনা করেছেন, তা রাজনৈতিক ইতিহাসের গণ্ডি থেকে বেশিদূর এগোতে পারেনি। এ বাস্তবতায় সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক ইতিহাস রচনায় একটি শূন্যতাই ছিল বলা যায়। মুদ্রা এবং শিলালিপির সূত্র থেকে এই শূন্যতা পূরণের চেষ্টা করেছেন করিম স্যার। অন্যদিকে সেখান থেকে আরেকধাপ এগিয়ে গিয়ে অধ্যাপক এ কে এম শাহনাওয়াজ স্যার চেষ্টা করেছেন মধ্যযুগের বাংলার সামাজিক-সাংস্কৃতিক জীবন অধ্যয়ন তথা তখনকার মানুষের ইতিহাস খুঁজে দেখতে। রাজনৈতিক ইতিহাসের নায়ক শাসকরা হলেও সমাজ ইতিহাসে সমাজের মানুষরাই প্রধান হয়ে ওঠেন। তাই স্যারের দেখানো পথ অনুসরণ করে আমি গবেষণা করেছি মধ্যযুগের বাংলার শিল্পকলা ও অর্থনৈতিক নিয়ে। এই গবেষণা করতে গিয়ে আমি প্রতিক্ষেত্রে অনুভব করেছি মধ্যযুগচর্চায় একজন করিম স্যারের অবদান কতটুকু।

অধ্যাপক করিমের স্মৃতিচারণ

শাহনাওয়াজ স্যার একটি জাতীয় দৈনিকে করিম স্যারের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে লিখেছেন [[ অধ্যাপক আবদুল করিম তার প্রথম পিএইচডি অভিসন্দর্ভ গ্রন্থাকারে প্রকাশ করেন ‘Social History of Muslims in Bengal (down toA.D 1538)’ নামে। গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৫৯ সালে। গবেষণার সময়েই প্রধানত তিনি অনুভব করেন মধ্যযুগের বাংলার সমাজ ইতিহাস লিখতে হলে সমকালীন বাংলার মুদ্রা ও শিলালিপি বিশ্লেষণ জরুরি। তখন থেকেই সম্ভবত তিনি মুদ্রা ও শিলালিপি চর্চা শুরু করেন। কারণ তিনি পিএইচডি গবেষণা সম্পন্ন করার আগেই মুদ্রাবিষয়ক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেছিলেন। পিএইচডি গবেষণার পাশাপাশি অধ্যাপক করিম মুদ্রা নিয়ে তার গবেষণা চালিয়ে যান। এরই ফসল হিসেবে ১৯৬০ সালে প্রকাশিত হয় তার বিখ্যাত গ্রন্থ ‘Corpus of the Muslim Coins of Bengal (down to A.D 1538)’। আমরা জানি, মধ্যযুগের বিশেষত সুলতানি বাংলায় মুদ্রা ও শিলালিপিগুলোর অধিকাংশই আরবি ও ফার্সি ভাষায় উৎকীর্ণ। লিপিগুলো খোদিত হয়েছে হস্তলিখন শিল্পের কৌশল অবলম্বন করে। সুতরাং মুদ্রা ও শিলালিপিগুলো থেকে সরাসরি পাঠ গ্রহণ ও বিশ্লেষণের জন্য যে দক্ষতার প্রয়োজন, তা অধ্যাপক করিমের আয়ত্তাধীন ছিল।

এ সত্যটি মানতে হবে, মুদ্রা ও শিলালিপি রাজনৈতিক ইতিহাস তৈরির পথ যতটা দেখায় সমাজ ও সংস্কৃতি ততটা স্পষ্ট করে দেখায় না। কারণ এ জাতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদানের বক্তব্য-বিষয় অনেকটা নির্ধারিত বা গৎবাঁধা। তাই এসব ধরাবাঁধা বক্তব্য থেকে সূক্ষ্ম বিশ্লেষণের পথ ধরে সামাজিক-সাংস্কৃতিক ইতিহাসের উপাদান সংগ্রহ করতে হয়। এ পদ্ধতি ব্যবহারের পথনির্দেশনা আমরা অধ্যাপক করিমের গ্রন্থ থেকে পাই।  মুদ্রা ও শিলালিপির সূত্র ধরে বাংলায় মুসলিম আগমনের শুরু থেকে স্বাধীন সুলতানি যুগের পতনকাল পর্যন্ত সময়ের সমাজ ও সংস্কৃতির চিত্র খুঁজে পাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনা দেখা যায় উল্লিখিত করপাস গ্রন্থে। অধ্যাপক করিম পরবর্তী গবেষকদের জন্য মুদ্রাবিষয়ক আরেকটি ভাণ্ডার রেখে গিয়েছেন। ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থটির নাম ‘Cataglogue of Coins in the Cabinet of the Chittagong University Museum, 1976’।

বাংলার ইতিহাসের এ আকর্ষণীয় দিকগুলো অধ্যাপক করিম তার ‘Social History of Muslims in Bengal (down to A.D 1538)’ গ্রন্থে আলোচনা করতে গিয়ে গবেষকদের কৌতূহলী করে তুলেছিলেন। এ ধারার ইতিহাস রচনায় তিনি গবেষকদের জন্য অনিবার্য করে তোলেন তার মুদ্রাবিষয়ক গ্রন্থ ‘Corpus of the Muslim Coins of Bengal (down to A.D 1538)’ এবং ১৯৯২ সালে প্রকাশিত ‘Corpus of the Arabic and Persian Inscriptions of Bengal’ নামের গ্রন্থ। অধ্যাপক করিম তার মেধা ও পাণ্ডিত্য দিয়ে মুদ্রা ও শিলালিপি বিশ্লেষণে অনেক বিতর্কের অবসান করার চেষ্টা করেছেন। যেমন- স্বাধীন সুলতানি বাংলা সুপ্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগে ১৩০১ থেকে ১৩২২ সাল পর্যন্ত সিংহাসনে আসীন ছিলেন সুলতান শামসউদ্দিন ফিরোজ শাহ। এ সুলতানের পরিচয় নিয়ে যথেষ্ট বিতর্ক হয়েছে ইতিহাসে। বিতর্কের সূত্রপাত করেছেন ইবনে বতুতা তার ভ্রমণ কাহিনীতে।

তিনি ফিরোজ শাহকে বলবনী বংশের লোক বলে শনাক্ত করেন। তার মতে, ফিরোজ শাহ বোগরা খানের ছেলে এবং কায়কাউসের ভাই। কিন্তু এ মত প্রতিষ্ঠা পায়নি। আধুনিক পণ্ডিতদের মধ্যে পরবর্তী গবেষণার সূত্র ধরে প্রতিবাদ এসেছে। অবশেষে পক্ষ-বিপক্ষের সূত্রাবলি পরীক্ষা করে ড. করিম বিস্তারিত ব্যাখ্যায় একটি উপসংহারে পৌঁছার চেষ্টা করেন। দীর্ঘ সময়ব্যাপী আলাউদ্দিন হুসেন শাহ (১৪৯৩-১৫১৯) বাংলার কৃতী সুলতান হিসেবে সিংহাসনে অধিষ্ঠিত ছিলেন। তার সময় বাংলায় মুসলিম রাজ্যসীমা ব্যাপক বিস্তৃত হয়। অধ্যাপক করিম মুদ্রা প্রমাণে তার রাজ্যসীমা নির্দিষ্ট করতে পেরেছেন। এতে দেখা যায়, হুসেন শাহ তার ক্ষমতা গ্রহণের শুরুতেই, কামরূপ, কামতা, জাজনগর, উড়িষ্যা অধিকার করেছিলেন।

মোগল অধিকারের আগেই যে স্বাধীন সুলতানি যুগে ঢাকার একাংশ একটি প্রদেশ বা বিভাগ অর্থাৎ ইকলিমের অন্তর্ভুক্ত ছিল, তা অধ্যাপক করিম প্রথম লিপি প্রমাণে নিশ্চিত করেছিলেন। পুরান ঢাকার নাসওয়ালা গলিতে নির্মিত মসজিদের শিলালিপির গায়ে সমকালীন সুলতান হিসেবে নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহের নাম উৎকীর্ণ ছিল। একজন গভর্নর বা খাজা জাহানের কর্তৃত্বেই যে ইকলিম মুবারকাবাদ পরিচালিত হতো তা-ও এ শিলালিপি থেকে জানা সম্ভব হয়েছে। অধ্যাপক আবদুল করিমের দেখানো প্রত্নসূত্রের পথ ধরেই পরবর্তী সময়ে আমি ঢাকা নগরীর প্রাচীনত্ব নিয়ে গবেষণা করার চেষ্টা করি। তাতে ঐতিহাসিক প্রমাণেই অনেকটা নিশ্চিত হওয়া গেছে ৪০০ বছর আগে মোগল প্রতিষ্ঠিত ঢাকা নগরী থেকেই ঢাকার নগরযাত্রা শুরু হয়নি। ঢাকা হাজার বছরের পুরনো শহর।]]

আরেক কিংবদন্তীর স্মৃতিচারণ

বাংলার ইতিহাস নিয়ে যাঁরা গবেষণা করছেন তাঁদের মধ্যে মুদ্রা ও শিলালিপি চর্চার বিচারে কিংবদন্তীর আসন করে নিয়েছেন অধ্যাপক আবদুল করিম। তিনি গবেষণাই শুধু করে যাননি পাশাপাশি ভবিষ্যৎ গবেষকদের কাজ করার সুবিস্তৃত পথ সৃষ্টি করে গেছেন। মধ্যযুগের মুদ্রা ও শিলালিপির পাঠোদ্ধার এবং বিশ্লেষণের মাধ্যেম ইতিহাসের নানা জটিল প্রশ্নের নিষ্পত্তি করেছেন। মৃত্যুদিবসে এই মহান ইতিহাস সাধককে পরম শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন স্যারকে ক্ষমা করুন। আমীন।

Dr. Md. Adnan Arif Salimhttp://salimaurnab.com/
জন্ম ১৯৮৯ সালের ১ নভেম্বর কুষ্টিয়াতে। পাবনার পাকশীতে পৈত্রিক নিবাস। পিতা মরহুম আরিফ যুবায়ের এবং মা সেলিনা সুলতানা। বর্তমানে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপেন স্কুলে ইতিহাসের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। পাবনা জেলার পাকশীর নর্থ বেঙ্গল পেপার মিলস হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক ও কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে ২০০৭ সালে ভর্তি হন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। ২০১১ সালে স্নাতক সম্মানে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে উত্তীর্ণ হন। এর পরের বছর ঐ একই বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তরের পাঠ শেষ করেন। স্কুল পর্যায় থেকে নানা ধরণের লেখালিখি ও অনুবাদ কর্মের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও নন্দিত ইতিহাস গবেষক অধ্যাপক এ কে এম শাহনাওয়াজের গবেষণা সহকারী হিসেবে প্রথম ইতিহাস বিষয়ক লেখা শুরু করেন। পরবর্তীকালে এই একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি গবেষণা শেষ করেন। পাশাপাশি লিখেছেন বেশ কয়েকটি বৈষয়িক গ্রন্থ। একক কিংবা সহলেখক হিসেবে তার প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ইতিহাস ও ঐতিহাসিক, বাংলাদেশের ইতিহাস ও জাতিসত্তার বিকাশ, আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস (১৪৫৩-১৭৭৯ খ্রি.) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫ খ্রি.), গুপ্তগোষ্ঠী ফ্রিম্যাসনারির কথা, গুপ্তগোষ্ঠী ইলুমিনাতি, বাংলাদেশের সমাজতত্ত্ব, প্রত্নচর্চায় বাংলাদেশ, জেরুজালেম, তাজমহলের গল্প, হালাকু খান, শের শাহ, পিরামিড প্রভৃতি। সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে তার ইতিহাসচর্চায় ভূগোল শীর্ষক গ্রন্থটি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Your Rating:05

Thanks for submitting your comment!

Must Read

তোমরা যারা ডেথ রেস খেলো

১. কিছুদিন আগে আমার সাথে দুইজন ছাত্রী দেখা করতে এসেছে। রাগে দুঃখে ক্ষোভে তাদের হাউমাউ করে কাঁদার মত অবস্থা, কিন্তু বড় হয়ে গেছে বলে সেটি...

কোথাও কেউ নেই

গ্রামবাংলার একটি জনপ্রিয় প্রবচন হচ্ছে, ‘মানুষের ভাগ্য আর লুঙ্গি বড়ই অদ্ভুত, এর কোনটা কখন খুলে যায় বলা কঠিন।’ ভাগ্য খোলা আসলে অনেক বড় কিছু,...

যে ‘দিদি’ এবং ‘ভাই’ আমাদের ভাবায়

জয়দেবপুর রেল জংশন থেকে সেই সুনামগঞ্জ কতটা পথ! সড়ক যোগাযোগের কথা বাদ দেয়া যাক। সরাসরি রেলপথেও সেখানে যাওয়ার সুযোগ কম। তবু শয়নে-স্বপনে নয়, যাপিত...

বাংলার মধ্যযুগ চর্চার পথিকৃৎ

আজ বাংলার ইতিহাসের কিংবদন্তী গবেষক, প্রখ্যাত লেখক, মধ্যযুগের বাংলার মুদ্রা ও শিলালিপি বিশেষজ্ঞ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল করিমের মৃত্যুদিবস। শুরুতেই...

বালিশ উত্তোলনের ইতিহাস

কি শুনে হাসি পায়! বালিশ উত্তোলনেও আমাদের আছে হাজার বছরের ঐতিহ্য। আমার অনেক প্রিয় লেখকদের একজন Simu Naser। তিনি তাঁর ফেসবুক পোস্টে নতুন চাকরিতে...