আমার যত বই

শুরুতে কিছুটা নির্লজ্জ আত্মপ্রচার কিংবা নিজের কথা বলে নেয়া যাক। কারণ লেখককে চেনা না গেলে তার লেখা সম্পর্কে ধারণা করা কঠিন। শৈশবে খুব সম্ভবত যখন পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী বাংলার শিক্ষক ফখরুল স্যার একটা রচনা লিখতে দিয়েছিলেন। ‘আমার জীবনের লক্ষ্য’। বন্ধুবান্ধবের সবাই যখন ডাক্তার, ইঞ্চিনিয়ার, পুলিশ কিংবা আইনজীবি হওয়ার স্বপ্নের বিভোর বরাবরের মতো আমি সেখানেও ভিন্ন স্রোতের যাত্রী। আমি সেখানে লিখেছিলাম ‘শিক্ষক হতে চাই’। ২০ নম্বরের মধ্যে খুব সম্ভবত ১০ কিংবা ১৩ পেয়েছিলাম। তবুও স্বপ্নের সঙ্গে আপোস করার ইচ্ছে ছিলো না। ঘরে ঢোকার সময় যেমনিভাবে পাপোশে পা মোছার কথা মনে থাকে না, তেমনিভাবে সেই শৈশব থেকে আপোসটাও কেন যেনো আমার করা হয়নি সেভাবে।

আমি কেনো শিক্ষক হতে চাই এই প্রশ্নের বিশ্লেষণী উত্তরে লিখেছিলাম—‘কোনো শিক্ষকের পাঠদান আমার পছন্দ হয় না, মনে হয় উনাদের কেউ পড়াতে পারেনা। এজন্যই আমি শিক্ষক হতে চাই’।  পঞ্চম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থীর জন্য চৌরাস্তায় দাঁড়িয়ে বিড়ি ফুঁকার চাইতেও হয়তো গুরুতর অপরাধ ছিলো এই উত্তর। তবুও আমার সম্মানিত শিক্ষক প্রশ্নটির ঐ উত্তরে মার্কস দিয়েছিলেন। উনি আব্বার কাছে যখন বিচার দিচ্ছিলেন তাঁর যুক্তি ছিলো.. ক.এটা ব্যতিক্রম…. খ. আপনার ছেলে বাংলাটা প্রায় নির্ভুল লিখে। মহান স্রষ্টা আল্লাহর দরবারে অনেক অনেক শুকরিয়া। তিনি আমার জীবনের এক এবং একমাত্র লক্ষ্যকে বাস্তবে রূপ দেয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন।

সত্য বলতে লেখক হওয়ার কোনো ইচ্ছে আমার শৈশবে ছিল না। আস্তে আস্তে কৈশোরে পদার্পণ করতে অনেক বই পড়া হয়ে যায়। পরিরারে রুশপন্থী বিপ্লবীর অভাব ছিলো না। ফলে প্রগতি প্রকাশনের বই গোষ্ঠিশুদ্ধ পড়ার সুযোগ হয়েছে। তবে অজ্ঞাত কারণে রাশিয়ার সংস্কৃতি আমার কাছে কেমন যেমন বিরক্তির কারণ ছিলো। যাচ্ছেতাই বিতৃষ্ণা নিয়ে বড় হতে হয়েছে। বইপড়ার এমনই জঘন্য নেশা ছিলো যে মসজিদে আসরের নামাজের পর সেখানকার পাঠাগার থেকে পর্যন্ত বই নিয়ে পড়া শুরু করতাম। রাস্তার মোড়ে চায়ের দোকানের সামনে বসে তখনকার জনকণ্ঠের চতুরঙ্গ পাতা পড়তাম। কালুচাচার বাসায় প্রথম আলো পত্রিকা প্রথম রাখা শুরু হয়েছিলো। শুধু আলপিন পড়ার উদ্দেশ্যে তার বাসায় যেতাম। তবে এই পাঠাভ্যাস যে ধীরে ধীরে ইতিহাস-প্রত্নতত্ত্বকেন্দ্রিক হয়ে উঠবে সেটা চিন্তাতীত। অদ্ভুতভাবে কোনো ধরণের সায়েন্স ফিকশন আমার ভালো লাগে নাই। সবাই পড়লেও আমি সেবা প্রকাশনীর মাসুদ রানা সিরিজের একমাত্র ডাবল এজেন্ট বাদে কেনো বই পড়িনি। আমার ধ্যান জ্ঞান প্রেম সব হয়ে উঠেছিলো ওয়েস্টার্ন।

অন্যদিকে অনূদিত কিশোর ক্লাসিকগুলোর প্রতিও এক রকম দুর্দমনীয় টান অনুভব করেছি। এভাবে পড়তে পড়তে একটা সময় বিশাল শূন্যতা দেখতে পাই অনেকের লেখায়। ক্ষেত্রবিশেষে অনেক লেখকের লেখা আমার কাছে বিরক্তির কারণ হয়েছিল। ঠিক বিপরীতে মুগ্ধতা ছড়াতে থাকে হুমায়ূন আহমের লেখার প্রতি। জীবনানন্দ দাশের কবিতা এবং রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্প আমাকে অনেক টানতো। ফররুখ আহমেদ, রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ, আল মাহমুদ কিংবা আবুল হাসানের কবিতা আস্তে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে পা রাখার আগেই পড়া হয়েছিলো। অদ্ভুতভাবে বিদ্রোহী কবি, অনেকের প্রাণের প্রতীক কবি নজরুলের একমাত্র বিদ্রোহী ধাঁচের কবিতাবাদে অন্যকিছু আমার তেমন ভালো লাগেনি ঠিক যেভাবে রবি ঠাকুরের কবিতা আমার একদমই টানে না। একইভাবে এত্ত বড় বড় কবি মহাদেব সাহা, নির্মলেন্দু গুণ, আসাদ চৌধুরী, আবুল হোসেন, উনাদের একটা দুইটা কবিতা পড়ার পড় কোনো বই খুলে দেখতে ইচ্ছে করেনি। এটাকে অন্যভাবে না নিয়ে সহজ কথা বলতে পারে। আমার আসলে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর ইতিহাস-প্রত্নতত্ত্ববাদে অন্য কিছু তেমন টানেনি। এই আকর্ষণ অনেকটাই ছিলো সহজাত।

কুষ্টিয়ার পাবলিক লাইব্রেরি থেকে শাহনাওয়াজ স্যারের মোগল মহলে, প্রাচীন পৃথিবী আর বিশ্বসভ্যতা শীর্ষক বইগুলো পড়েছিলাম। বিজ্ঞানের ছাত্র হলেও এগুলোতে আকর্ষণ ছিলো দু্র্নিবার। জনৈক আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ার লেখা ইয়া পেল্লাই সাইজের একটা বই বাংলাদেশের প্রত্নসম্পদ প্রথম দেখেছি এইচএসসিতে থাকা অবস্থাতেই। কিন্তু এই বই পড়ার ইচ্ছে হয়নি তখন। অদ্ভুতভাবে পরিচয় হয়ে যায় ঐ বৃদ্ধ ভদ্রলোকের সঙ্গে। সবাই উনাকে স্যার স্যার করে মুখে ফেনা তুলে ফেললেও আমি ডাকতাম দাদা, উনি কোনো আদিখ্যেতা না করে সোজা তুই ডাকতেন। কারণ কিছুই না। ঢাকার কলাবাগানে ছোট ফুপুর বাসার সঙ্গে লাগোয়া ছিলো উনার বাসা। বুড়ো মানুষ সারাদিন লেখাপড়ার মধ্যে থাকতেন। সন্ধ্যায় রুফটপ বাগানে গিয়ে কাজ করতেন। উনার মত মানুষের সঙ্গে অন্য কারো যোগাযোগ হওয়ার প্রয়োজন নেই।

বলতে বাধা নাই আমি উনার সঙ্গে যোগাযোগে প্রথম আগ্রহী হয়েছিলাম দূর থেকে তাঁর জানালা দিয়ে দেখা বইগুলোর কারণেই। আমার মনে কূটচিন্তা ছিলো যেখাভেই হোক উনার সঙ্গে ভাব জমিয়ে তার বইগুলো পড়ে দেখতে হবে। কি আজব কাণ্ড। ভদ্রলোক প্রথম দিনের কথাতেই নিতান্ত আপন হয়ে গিয়েছিলেন। উনার বাসায় মূলত যেতাম বই পড়ার জন্য। কিন্তু বই পড়া বাদ দিয়ে উনার গল্প শুনতেই ভালো লাগতো অনেক। তারপর জাহাঙ্গীরনগর। আর ঘুরে ফিরে স্নাতকের জন্য বিষয় নিয়েছিলাম ঐ প্রত্নতত্ত্ব। আমার বন্ধুবান্ধব আর শিক্ষকদের কাছে যে সব বই দুর্মূল্য, আমি যাকারিয়া দাদার কাছ থেকে সেগুলো দেদারছে নিয়ে পড়েছি। অনেক বই নিজের সম্পত্তির জন্য নিয়ে গিয়ে রেখেছি দিনের পর দিন।

পড়তে পড়তে ইতিহাস প্রত্নতত্ত্বের পথ চলায় হঠাৎ থমকে দাঁড়াতে হয়। আর সেখানে স্প্রিড ব্রেকারের কাজটা করেছিলেন প্রিয় অধ্যাপক আইয়্যুব খান। তিনি উৎসাহিত করেছিলেন এই পড়ার অভিজ্ঞতাকে কিভাবে গবেষণায় রূপ দেয়া যায়। শুধু কি নাই দেশবরেণ্য ইতিহাসবিদ আমার গবেষণার ক্ষেত্রে অভিভাবক অধ্যাপক এ কে এম শাহনাওয়াজ স্যারের সঙ্গে পরিচয়টা করিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। যদিও প্রথম দিকে শাহনাওয়াজ স্যারকে দেখলেই ভয়ে পালাতাম। এমনও অনেক দিন গেছে শাহনাওয়াজ স্যার ক্লাস ছেড়ে বেরিয়েছেন, শুধু উনার সামনে পড়লে কি বেয়াদপি হয় এই ভয়ে বারান্দা ছেড়ে পাশের দেয়ালের আড়ালে লুকিয়েছি। কে জানতো ভাগ্য আমাকে টেনে হিঁচড়ে আজকের এখানে এনে দাঁড় করাবে।

ফলাফল এবং গবেষণার বিচারে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দিষ্ট বিভাগের সেরা শিক্ষার্থী হিসেবে শিক্ষাজীবন শেষ করেছি।  তারপরেও এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাপ্তির অঙ্ক হিসেব করতে গেলে আমি এক নম্বরে বলি… ‘আমি শাহনাওয়াজ স্যারের ছাত্র’। এটা বলতে আমার এতোটুকু আফসোস নাই প্রতিষ্ঠান হিসেবে জাহাঙ্গীরনগর আমাকে যা দিয়েছে তার থেকে শতগুণ শেখা আমার শাহনাওয়াজ স্যারের কাছেই। প্রিয় অধ্যাপক আইয়ুব খানের অকালমূত্যুতে একটা সময় কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েছিলাম। একটা সময় শাহনাওয়াজ স্যার যখন বললেন উনার একটা বইয়ের কাজ করতে কিছু কম্পোজ এবং রেফারেন্স চেক করার দায়িত্ব দেবেন। আমার মনে পড়ে সেদিন বিশ্বজয়ের আনন্দ অনুভব করেছিলাম। এই কাজ করতে গিয়ে নিজের অতি উৎসাহ থেকে পাতার পর পাতা লিখে নিয়ে স্যারের সামনে হাজির করতাম। স্যার ঐসব লেখার বেশিরভাগ ফেল দিলেও মাঝে মাঝে কিছু লেখার প্রশংসা করতেন। এইভাবে লিখতে লিখতে পড়তে পড়তে একদিন একটা গোটা বইয়ের কাজ শেষ হয়। আমি শুধু স্যারের সঙ্গে কাজ করতে পেরেই খুশি ছিলাম। কিন্তু বিস্ময়ের ঘোর কাটতে না কাটতেই একদিন স্যার যখন জানালেন আমি ঐ বইয়ে স্যারের সহলেখক প্রথম প্রথম বিশ্বাস করিনি।

আমার সম্পূর্ণ লেখা অনেক শিক্ষক যেখানে কাট টু কাট ঝেড়ে দিয়েছেন, বিন্দুমাত্র কৃতজ্ঞতা স্বীকার পর্যন্ত করেননি। সেখানে এই ভুলে ভরা লেখা লিখে আমি কিভাবে স্যারের মত একজন নন্দিত ইতিহাসবিদের সহলেখক? প্রথম প্রথম নিজেকে বিশ্বাস করতে পারিনি। তারপর স্বপ্ন সত্যি হয় ‘ইতিহাস ও ঐতিহাসিক’ বইটি প্রকাশের মাধ্যমে। আমার স্পষ্ট মনে পড়ে স্যার সহলেখক হিসেবে আমার নাম দিচ্ছেন এটা জানার পর প্রকাশক কিভাবে বিরক্তি প্রকাশ করেছিলেন। সময় বহতা নদীর মতো। দেখতে দেখতে চলে গেছে অনেকটা বছর। প্রকাশনায় যুক্ত হয়েছে ডজন দুয়েক গবেষণা প্রবন্ধ আর বেশ কিছু বই। ধন্যবাদ প্রাপ্য দিব্য প্রকাশের সাবের ভাইয়ের। তিনি একজন অর্বাচীনকে একের পর এক যা খুশি ইতিহাস লিখে ছাপানোর সুযোগ করে দিয়েছেন। আর এইসব সুযোগের সদ্ব্যবহার কিংবা অপব্যবহারে আমি যা লিখেছি সেগুলো হচ্ছে—-

১.


ইতিহাস ও ঐতিহাসিক
এ কে এম শাহনাওয়াজ (Author)
মো: আদনান আরিফ সালিম (Author)
মুদ্রিত মূল্য : ৳ ৪০০
প্রকাশনী : অবসর প্রকাশনা সংস্থা
বিষয় : ইতিহাস ও ঐতিহ্য
২.


বাংলাদেশের ইতিহাস ও জাতিসত্তার বিকাশ
মোঃ আতিয়ার রহমান (Author)
মো: আদনান আরিফ সালিম (Author)
মুদ্রিত মূল্য : ৳ ২৫০
প্রকাশনী : প্রতীক প্রকাশনা সংস্থা
বিষয় : ইতিহাস: প্রসঙ্গ বাংলাদেশ

 

 

৩.


গুপ্তগোষ্ঠী ফ্রিম্যাসনারি’র কথা
মো: আদনান আরিফ সালিম (Author)
মুদ্রিত মূল্য : ৳ ২০০
প্রকাশনী : দিব্য প্রকাশ
বিষয় : প্রসঙ্গ ইতিহাস
সংগ্রহ করতে চাইলে যোগাযোগ করুন–
সোহরাব (০১৭১১৯৫২৮১০) অথবা সাজু (0১৭১১০৩৩১৯৩)।
৪.


ইলুমিনাতি
মো: আদনান আরিফ সালিম (Author)
মুদ্রিত মূল্য : ৳ ৩০০
প্রকাশনী : দিব্য প্রকাশ
বিষয় : প্রসঙ্গ ইতিহাস
সংগ্রহ করতে চাইলে যোগাযোগ করুন– সোহরাব (০১৭১১৯৫২৮১০) অথবা সাজু (0১৭১১০৩৩১৯৩)।

 

 

৫.


জ্ঞান ও সভ্যতার গ্রন্থমালা-৩ : প্রত্নচর্চায় বাংলাদেশ
মো: আদনান আরিফ সালিম (Author)
মুদ্রিত মূল্য : ৳ ১২৫
প্রকাশনী : প্রকৃতি-পরিচয়
বিষয় : সমাজ, সভ্যতা ও সংস্কৃতি
৬.


জেরুজালেম
মো: আদনান আরিফ সালিম (Author)
মুদ্রিত মূল্য : ৳ ৩৬০
প্রকাশনী : দিব্য প্রকাশ
বিষয় : ইতিহাস ও ঐতিহ্য
সংগ্রহ করতে চাইলে যোগাযোগ করুন– সোহরাব (০১৭১১৯৫২৮১০) অথবা সাজু (0১৭১১০৩৩১৯৩)।

 

৭.


শের শাহ
মো: আদনান আরিফ সালিম (Author)
মুদ্রিত মূল্য : ৳ ২৫০
প্রকাশনী : দিব্য প্রকাশ
বিষয় : ইতিহাস ও ঐতিহ্য
সংগ্রহ করতে চাইলে যোগাযোগ করুন– সোহরাব (০১৭১১৯৫২৮১০) অথবা সাজু (0১৭১১০৩৩১৯৩)।
৮.


আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস (১৪৫৩-১৭৮৯)
এ কে এম শাহনাওয়াজ (Author)
মো: আদনান আরিফ সালিম (Author)
মুদ্রিত মূল্য : ৳ ৩৫০
প্রকাশনী : নভেল পাবলিশিং হাউস
বিষয় : ইউরোপ
সংগ্রহ করতে চাইলে যোগাযোগ করুন–
তরিকুল্লাহ তরুণ–০১৭৩৫৭৮৭৩৮১ এবং হারুন —০১৭১৫৩৬২২২৬

 

৯.


আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)
এ কে এম শাহনাওয়াজ (Author)
মো: আদনান আরিফ সালিম (Author)
মুদ্রিত মূল্য : ৳ ৩৫০
প্রকাশনী : নভেল পাবলিশিং হাউস
বিষয় : ইউরোপ
সংগ্রহ করতে চাইলে যোগাযোগ করুন–
তরিকুল্লাহ তরুণ–০১৭৩৫৭৮৭৩৮১ এবং হারুন–০১৭১৫৩৬২২২৬
১০.


বাংলাদেশের সমাজতত্ত্ব
অন্যান্য এবং মো: আদনান আরিফ সালিম
মুদ্রিত মূল্য : ৳ ৩৫০
প্রকাশনী : প্রতীক প্রকাশনা সংস্থা
বিষয় :সমাজবিজ্ঞান পাঠ্য

 

 

 

১১.


তাজমহলের গল্প
অ্যালেক্স রাদারফোর্ড (মূল লেখক)
মো: আদনান আরিফ সালিম (রূপান্তর)
মুদ্রিত মূল্য : ৳ ৫০০
প্রকাশনী : দিব্য প্রকাশ
বিষয় : অনুবাদ: ইতিহাস ও ঐতিহ্য
সংগ্রহ করতে চাইলে যোগাযোগ করুন– সোহরাব (০১৭১১৯৫২৮১০) অথবা সাজু (0১৭১১০৩৩১৯৩)।
১২


হালাকু খান
মো: আদনান আরিফ সালিম (Author)
মুদ্রিত মূল্য : ৳ ৩৫০
প্রকাশনী : দিব্যপ্রকাশ
বিষয় : ইতিহাসগ্রন্থ

 

 

 

 

ইতিহাস চর্চায় ভূগোল, আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন– আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন: তরুণ: ০১৭৩৫৭৮৭৩৮১ এবং হারুন: ০১৭১৫৩৬২২২৬

Related posts

Leave a Comment

Your Rating:05

Thanks for submitting your comment!