BOU, leader of digitized education

I have a confession to share with. I did not get chance to any university during the admission tests in 2006. My dream of higher education almost died in that year until I could convince myself to boost up the preparation to view in the next year. The intake tests of universities were tough in my time, which has gradually become harder and harder. Almost in every cases, as many as 80 students fight for a single seat. In 2006, I was that much frustrated and exhausted that I started…

Read More

তারিখ ই শেরশাহী’ অবলম্বনে  ‘শের শাহ’

দোর্দণ্ড প্রতাপশালী মোগল সাম্রাজ্যের ঠিক শুরুতেই একটা ছন্দপতন। পরাক্রমশালী সাম্রাজ্য বলতে গেলে হঠাৎ একটু হোঁচট খায়, পা পিছলে পড়ে একজন কুশলী আফগান যোদ্ধার কাছে। তিনিই শেরশাহ (১৫৪০-১৫৪৫)। পিতৃপ্রদত্ত নামে ফরিদ কিংবা তারপর শেরখান যে নামেই ডাকা হোক না কেনো তিনি ভারতবর্ষের সবচেয়ে সফল সম্রাটদের একজন, পাশাপাশি শূর বংশের প্রতিষ্ঠাতা। দিল্লি কিংবা আগ্রা থেকে সেই বিহারের সাসারাম কতটা দূর। সেখানকার জায়গিরদার হাসান খান শূরের ঔরষে তাঁর জন্ম ১৪৭২ সালের দিকে। বাহলুল লোদির রাজত্বকালেই জন্ম হয়েছিল শের শাহের। প্রথমে তাঁর নাম রাখা হয় ফরিদ খান। শৈশব থেকে স্বাধীনচেতা ফরিদের আর দশজনের মতো…

Read More

আমার যত বই

শুরুতে কিছুটা নির্লজ্জ আত্মপ্রচার কিংবা নিজের কথা বলে নেয়া যাক। কারণ লেখককে চেনা না গেলে তার লেখা সম্পর্কে ধারণা করা কঠিন। শৈশবে খুব সম্ভবত যখন পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী বাংলার শিক্ষক ফখরুল স্যার একটা রচনা লিখতে দিয়েছিলেন। ‘আমার জীবনের লক্ষ্য’। বন্ধুবান্ধবের সবাই যখন ডাক্তার, ইঞ্চিনিয়ার, পুলিশ কিংবা আইনজীবি হওয়ার স্বপ্নের বিভোর বরাবরের মতো আমি সেখানেও ভিন্ন স্রোতের যাত্রী। আমি সেখানে লিখেছিলাম ‘শিক্ষক হতে চাই’। ২০ নম্বরের মধ্যে খুব সম্ভবত ১০ কিংবা ১৩ পেয়েছিলাম। তবুও স্বপ্নের সঙ্গে আপোস করার ইচ্ছে ছিলো না। ঘরে ঢোকার সময় যেমনিভাবে পাপোশে পা মোছার কথা মনে থাকে…

Read More

তোমরা যারা ডেথ রেস খেলো

১. কিছুদিন আগে আমার সাথে দুইজন ছাত্রী দেখা করতে এসেছে। রাগে দুঃখে ক্ষোভে তাদের হাউমাউ করে কাঁদার মত অবস্থা, কিন্তু বড় হয়ে গেছে বলে সেটি করতে পারছে না। তারা দুজনেই খুবই ভালো ছাত্রী, তারা ঢাকায় থাকে এবং প্রতিদিন মহাসড়কে দীর্ঘপথ জার্নি করে বিশ্ববিদ্যালয়ে যায়। যারা বয়সে তরুণ এবং মেধাবী তাদের নিয়মিত বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়াটা এক অর্থে বাধ্যতামূলক। সবুজ ক্যাম্পাস নিয়ে তাদের একটা স্বপ্নও থাকে। কিন্তু কি ভয়ানক ব্যাপার, আমি সেটা ভেবে এক্কেবারে শিউরে উঠলাম। তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার জন্য কত ঝক্কি ঝামেলা পোহাতে হয়। তারা সেই শৈশব থেকেই কত সংগ্রাম করে বিশ্ববিদ্যালয়…

Read More

কোথাও কেউ নেই

গ্রামবাংলার একটি জনপ্রিয় প্রবচন হচ্ছে, ‘মানুষের ভাগ্য আর লুঙ্গি বড়ই অদ্ভুত, এর কোনটা কখন খুলে যায় বলা কঠিন।’ ভাগ্য খোলা আসলে অনেক বড় কিছু, নিম্নবিত্ত কিংবা মধ্যবিত্তের জীবনে সেটা সচরাচর ঘটে না। ফলে দ্বিতীয়টির খুলে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায় বহুগুণে। লুঙ্গি খুলে গেলেও আড়ালে মুখ লুকিয়ে মুচকি হাসার মতো কিছু ঘটেনি। নতুন মাড় দেয়া লুঙ্গির ভাঁজ খুলেছে আমার ছোট ভাই। আর ভাঁজ খোলার পর দুজনেরই চক্ষু চড়কগাছ। রাতদুপুরে তাড়াহুড়ো করে লুঙ্গিটা কেনা হয়েছিল। ধবধবে সাদা বসনের পাশাপাশি গলায় পৈতা-কপালে চন্দনের ছাপ আর কাশফুলের মতো পাকা চুল দেখে বিভ্রান্ত হয়ে কিনা…

Read More

যে ‘দিদি’ এবং ‘ভাই’ আমাদের ভাবায়

জয়দেবপুর রেল জংশন থেকে সেই সুনামগঞ্জ কতটা পথ! সড়ক যোগাযোগের কথা বাদ দেয়া যাক। সরাসরি রেলপথেও সেখানে যাওয়ার সুযোগ কম। তবু শয়নে-স্বপনে নয়, যাপিত জীবনেই এমন কিছু ঘটনা ঘটে যায়, যা জয়দেবপুর ও সুনামগঞ্জের ভৌগোলিক সীমারেখা এক করে দেয়। আর অদ্ভুতভাবে দুটি ঘটনাই ঘটেছে ফুটপাতে। প্রথমোক্ত ঘটনাটি মাত্র সপ্তাহখানেক আগের। ইতিহাসের অনার্স প্রোগ্রামের ক্লাস নিয়ে বাউবির ঢাকা কেন্দ্র থেকে জয়দেবপুর ফিরছি ক্লান্ত হয়ে। বাস-বাইক-রেল তিন ধরনের বাহনে যাতায়াত করে অনেকটাই ত্রিশঙ্কুতে পড়েছি। দ্রুত বাসায় ফেরার তাড়া থাকায় থানা রোডের মুখের যানজট এড়িয়ে মন্দিরের ভেতর দিয়ে হাঁটতে থাকি। অনেকটা অস্বাভাবিকভাবে জনৈক…

Read More

বাংলার মধ্যযুগ চর্চার পথিকৃৎ

আজ বাংলার ইতিহাসের কিংবদন্তী গবেষক, প্রখ্যাত লেখক, মধ্যযুগের বাংলার মুদ্রা ও শিলালিপি বিশেষজ্ঞ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল করিমের মৃত্যুদিবস। শুরুতেই মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। বাংলার ইতিহাস গবেষণার সঙ্গে যুক্ত থেকে যাঁরা নিজেই ইতিহাস হয়ে গেছেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম অধ্যাপক আবদুল করিম। আমার গবেষণা তত্ত্বাবধায়ক, শিক্ষাগুরু এবং ইতিহাস-প্রত্নতত্ত্ব চর্চার অভিভাবক অধ্যাপক এ কে এম শাহনাওয়াজ স্যারের কাছে শুনেছি তাঁর কথা। বাংলার ইতিহাস গবেষণার এই বটবৃক্ষের ছায়াতলে আশ্রয় নেয়ার সুযোগ হয়েছিল শাহনাওয়াজ স্যারের। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের দ্বিতীয় বর্ষ থেকে শুরু করে আজ অবধি…

Read More

বালিশ উত্তোলনের ইতিহাস

কি শুনে হাসি পায়! বালিশ উত্তোলনেও আমাদের আছে হাজার বছরের ঐতিহ্য। আমার অনেক প্রিয় লেখকদের একজন Simu Naser। তিনি তাঁর ফেসবুক পোস্টে নতুন চাকরিতে যুক্ত হওয়ার কথা লিখলেন। আমি অবাক হলাম। রস আলোর এই নন্দিত লেখক তবে কি তাঁর মূল জায়গা ছাড়ছেন, নাকি নিছক ইয়ার্কি করছেন আমাদের সঙ্গে। অনেক মন খারাপ করে তার লেখাটা পড়তে গিয়ে অজান্তেই আদন্তমূল বিকশিত করে হেসে উঠলাম। উনি চাকরি হিসেবে লিখেছেন ‘Started New Job at Ruppur Nuclear Power Station’, May 17 — শিক্ষানবিশ বালিশ উত্তোলক। আমার আর বুঝতে বাকি থাকল না ইয়ার্কির প্রতিষ্ঠাতা কিভাবে আমাদের…

Read More

আমার প্রথম সন্দ্বীপ দর্শন

আনুমানিক তিনটা ১০ মিনিট। শুনশান রাতের নীরবতা খান খান করে ছুটতে থাকা বাসটা হঠাৎ থমকে দাঁড়ালো চট্টগ্রামের ছোট কুমিরা ফেরিঘাটের বাসস্ট্যান্ডে। বিস্ময়ের প্রথম ধাক্কা সামলে নিয়ে জানতে চাইলাম কন্ডাকটরের কাছে এটা কি কুমিল্লা নাকি কুমিরা। সে সম্মিত ফিরে জানায় কুমিরা। আমি জানতে চাইলাম বড়টা নাকি ছোট টা। সে বলে ছোটটা। সুতরাং আর রেহাই নাই। বাসের সিটে বসেই শীতের সঙ্গে পাঞ্জা লড়তে হচ্ছিলো। তখন যে বাস থেকে নামতে হবে এটা ভেবেই গায়ে কাঁটা দিচ্ছিলো। বাস থেকে নেমে পড়লাম ছোট কুমিরায়। মানুষ দূরের কথা, পুরো রাস্তার চারপাশে একটা কুকুর পর্যন্ত চোখে পড়লো…

Read More

ঢাকার রাস্তায় রবীন্দ্রনাথ

☺ কবিঃ আহা আজি এ প্রভাতে ঘন জল কোথা হারালো মন, খুজিয়া পাই না তল ☺ রিক্সাওয়ালাঃ চাচা মিয়া কি মজা লন? রাস্তাঘাট ডুবা, আর আপনে এসব কি কন? ☺ কবিঃ তিন চাকা ঘুরাইতেছো, কে তুমি বাছা? রবীন্দ্রনাথ আমি, নই তোমার চাচা!! ☺ রিক্সাওয়ালাঃ আরে রাখেন আপনার রবীগিরি রিক্সা ডুবেছে জলে, চালাইতে আমি মরি ☺ কবিঃ আহা বৎস, এমন অকুলও বর্ষণে দুর্বার তোমার রিক্সা, পিচ ঢালা পথ ঘর্ষনে ☺ রিক্সাওয়ালাঃ পথ পাইলেন কই? পানি থৈ থৈ কে জানে ম্যানহোল সব আছে কৈ কৈ ☺ কবিঃ এ জলেই তো মিশেছে যৌবন,…

Read More