গবেষণা প্রবন্ধের প্রকাশনা এবং জার্নাল প্রসঙ্গ

অনেক দিন থেকে গবেষণা প্রবন্ধের প্রকাশনা প্রসঙ্গে লেখার কথা চিন্তা করেও লেখা হয়ে ওঠেনা।  শাহজালাল হোসাইনের একটি দুর্দান্ত লেখায় সম্বিত ফিরে পাই। তিনি বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য শেয়ার করেছেন সবার সঙ্গে। আমি লেখার শুরুতেই শাহজালাল হোসাইনের সেই তথ্যগুলো তুলে ধরতে চাই। তিনি লিখেছেন—আপনার গবেষণা প্রবন্ধ বা Article টি কোন জার্নালে সাবমিট করবেন? কোন জার্নাল এর সাথে আপনার গবেষণার ফিল্ড অফ ইন্টারেস্ট বা স্কোপ মিলে যায়? সাধারণত যারা গবেষণার প্রথম পর্যায়ে থাকে তাদের কাছে এটা খুবই কমন একটি প্রশ্ন। এমন প্রশ্ন আমাকে অনেক বন্ধু, ছোট ভাই বা সমসাময়িক সহকর্মী অনেকবার করেছে/করেছেন। আমি ব্যক্তিগতভাবে তাদেরকে…

Read More

ক্লাইভ

সহজ ভাষায় যদি প্রশ্ন করা হয় ‘রবার্ট ক্লাইভ কে ছিলেন?’ উত্তরদাতা ভারতবর্ষের কোনো মানুষ হলে এই প্রশ্নের উত্তর জানার প্রয়োজন থাকে না। বেশিরভাগ মানুষ মুখস্থ বলা শুরু করবেন কিছু নেতিবাচক শব্দ, ঠিক যেমনি নবাব সিরাজউদ্দৌলা সম্পর্কে কোনো কিছু জানার প্রয়োজন করেন না বাংলাদেশ থেকে শুরু করে ভারতের সিংহভাগ মানুষ। একইভাব ইউরোপের তথা ইংরেজদের কাছে পরম শ্রদ্ধার একটি নাম ‘রবার্ট ক্লাইভ’। তার সমরকৌশল এবং উদ্ভাবনী শক্তির জোরে তিনি পরাজিত করেছিলেন নবাব সিরাজের বাহিনীকে। এক্ষেত্রে নবাব সিরাজের সক্ষমতা এবং রবার্ট ক্লাইভের ‘কূট’ কৌশলের তুলনায় ইতিহাসের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল একটি পট পরিবর্তন।…

Read More

তারিখ ই শেরশাহী’ অবলম্বনে  ‘শের শাহ’

দোর্দণ্ড প্রতাপশালী মোগল সাম্রাজ্যের ঠিক শুরুতেই একটা ছন্দপতন। পরাক্রমশালী সাম্রাজ্য বলতে গেলে হঠাৎ একটু হোঁচট খায়, পা পিছলে পড়ে একজন কুশলী আফগান যোদ্ধার কাছে। তিনিই শেরশাহ (১৫৪০-১৫৪৫)। পিতৃপ্রদত্ত নামে ফরিদ কিংবা তারপর শেরখান যে নামেই ডাকা হোক না কেনো তিনি ভারতবর্ষের সবচেয়ে সফল সম্রাটদের একজন, পাশাপাশি শূর বংশের প্রতিষ্ঠাতা। দিল্লি কিংবা আগ্রা থেকে সেই বিহারের সাসারাম কতটা দূর। সেখানকার জায়গিরদার হাসান খান শূরের ঔরষে তাঁর জন্ম ১৪৭২ সালের দিকে। বাহলুল লোদির রাজত্বকালেই জন্ম হয়েছিল শের শাহের। প্রথমে তাঁর নাম রাখা হয় ফরিদ খান। শৈশব থেকে স্বাধীনচেতা ফরিদের আর দশজনের মতো…

Read More

বাংলাদেশের জলদুর্গ

সূর্যাস্তের একটু আগে কিংবা পরে কফির মগ হাতে নিয়ে সন্ধ্যাযাপনের শহুরে দিনলিপি; শাওয়ার না থাকলে বালতি থেকে পানি তুলে গোসল করতে গেলেও লাগে মগ— ইতিহাসের ‘মগ’ জলদস্যুদের সঙ্গে এর দুস্তর ফারাক। আজকের উত্তপ্ত আরাকানের রক্তাক্ত জনপদে আদিবাসী রোহিঙ্গা জাতিসত্তার প্রতিটি কান্নার সঙ্গে মিশে আছে যে রাখাইনদের নাম, ইতিহাসে মগদের অবস্থানও ঠিক তেমনি পাশবিক, বর্বর ও নৃশংস। সপ্তপয়কর চন্দ্রাবতীর অমর স্রষ্টা আলাওল কিংবা লোরচন্দ্রানী আর সতীময়নার রূপকার দৌলত কাজীকে মিলিয়ে আরকান আর মগদের একীভূত করার সুযোগ নেই। প্রত্নতাত্ত্বিক চর্চা ও মধ্যযুগের অধ্যয়ন আমাদের সামনে সে সুযোগ রাখেনি। এত জনপদ থাকতে মগরা বাংলার…

Read More