ধর্ষক মিশেল ফুঁকো

প্রথমে শিরোনাম পড়েই চমকে উঠতে পারেন আপনাদের চিরচেনা তাত্ত্বিক মিশেল ফুঁকো একজন বিকৃতরুচির ধর্ষক। তাই তাকে মানুষ না বলে একজন নিম্নশ্রেণির পশু হিসেবেই চিহ্নিত করছি। তার থেকেও ভয়াবহ ব্যপার সে ফরাসি উপনিবেশের বেড়াজালে নিষ্পেষিত তিউনিশিয়াতে বিভিন্ন বিপন্ন শিশুদের ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত।

বিশ্বখ্যাত অনেক পত্রিকা তার এই কুকর্ম নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করলেও বাংলাদেশের মানুষের কাছে তা প্রায় অজানা। বাংলাদেশের বেশিরভাগ কথিত তাত্ত্বিক ফুঁকোর এতোটা ভক্ত যে তারা কখনই এই নোংরা দিকটি সামনে আসুক তা চায়নি। কিন্ত খেয়াল করলে দেখা যাচ্ছে এল আমেরিকান, আলবাওয়াবাদ্য টাইমস, ব্রেইটবার্ট, তেলোস্প্রেস, ডেভিলসলেন, নিউজট্রলসহ আরও অনেক পত্রিকার সংবাদে মিশেল ফুঁকোর যৌন নির্যাতন ও শিশু ধর্ষণ সম্পর্কিত সংবাদ পাওয়া যায়।

জনৈক তিউনিশিয়ান বন্ধুর কাছে শুনছিলাম এই মাদারটোস্ট বড় বড় থিউরি যেমুন কপচাইছে, তেমনি চান্সমতো তিউনিশিয়ার শিশুদের এবিউজ করছে। সে এমুনই শুয়া*ের বাচ্চা যে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে যে কোনো রকম শিশু পাইলে তাদের লাগাতার ধর্ষণ করছে। এক্ষেত্রে তিউনিশিয়াতে ফরাসি উপনিবেশের শক্তিকে কাজে লাগাতো সে। কেউ প্রতিবাদ করতে গেলে আইন শৃঙ্খলায় নিয়োজিত বাহিনীকে দিয়ে প্রভাব খাটিয়ে তাদের মেরে ফেলার হুমকি অবধি দিয়েছে সে।

খেয়াল করে দেখেন বঙ্গদেশী যেইসব চুয়ানিখোর, ময়লাপানি কিংবা পাগলাপানি খোর এই ফকালটো শ্লার্পুত্রে নিয়া প্যাঁক প্যাঁক করে ওদের ব্যক্তিজীবনও নোংরা। কারণ প্যাঁক্কাদায় হারিয়ে যাওয়ার সময় একটা শুয়ারের বাচ্চাই আরেকটা শুয়ারের বাচ্চার লেঞ্জা ধৈরা টানে। তারা নিজেদের কুকর্মের মধ্যে ফুকোকে আবিষ্কার করে। তাই তারা ফুঁকোর কুকর্ম আড়াল করে তাকে মহান হিসেবে উপস্থাপন করায় ব্যস্ত।

ভেনিজুয়েলার বিখ্যাত ব্লগার রাফায়েল ভ্যালেরা অনেক আগে থেকেই লিখছেন নানা উদ্ভট রাজনৈতিক বিষয়াবলী নিয়ে। একদিন তাকে টুইট করতে দেখেছিলাম ফকাল্টোরে নিয়া। তিনি লিখছিলেন এই শ্লার্পুত একাধারে ধর্ষক এবং পেডোফাইল। অবাক হইয়া ভাবছিলাম রাফায়েল জাস্ট মজা লিছে। পরে দেখি রাফায়েল মজা লয় নাই, উপরন্তু বিরাট সইত্য কৈছে।

নারীবাদী ফিমেন গ্রুপের প্রতিবাদ

প্রফেসর গাইসর্ম্যান সানডে টাইমসকে যা বলেছেন তার মর্মকথা হচ্ছে ‘১৯৬৯ সালের দিকে বঙ্গদেশে যখন গণঅভ্যুত্থান হয়। ইতিহাসের সেই চূড়ান্ড বাঁকবদলের সময় তিউনিশিয়াতে ছিল ফুঁকো। এই টাকলু হারামি সেখানে নানামুখী কুকর্ম করে বেড়াইছে। এর মধ্যে সে অনেকগুলো আট, নয় ও দশ বছরের বাচ্চার সর্বনাশ করেছে।

টাকলু শয়তানের এই কুকর্মের পেছনেও একরকম জঘন্য ফরাসি ঔপনিবেশিক আধিপত্য প্রভাব বিস্তার করেছিল। কারণ সে যেই কুকর্ম তিউনিশিয়াতে গিয়ে করে বেড়িয়েছে সেই একই কাজ যদি ফ্রান্সে করত তবে তার পক্ষে সেখানে টেকা কঠিন হতো।

 গু খাওয়া সাংবাদিকে এখন যেমন বিশ্ব ভরা। তখনকার দিনেও ফুকোর গুণমুগ্ধ বজ্জাত সাংবাদিকরা তাকে রক্ষা করেছে। গাইসর্ম্যানের ভাষায় There were journalists present on that trip, there were many witnesses, but no one did stories like that in those days. Foucault was the philosopher-king. He is like our god in France.”

এই ঘটনাগুলো পড়তে গিয়ে মনে হয়েছিল এই শু*া *রের বাচ্চা কেনো স্কুল, কলেজ, হসপিটাল এগ্লা লইয়া মকশো বাধাইছে। আসল কাহিনী তো অন্যখানে। তিউনিশিয়াতে একটা পিচ্চিকে জোরপূর্বক যৌনকর্মে বাধ্য করার জন্য পুলিশ তাকে গ্রেফতারও করেছিল। এর বাইরে সেখানকার হাসপাতালে জনৈক ডাক্তার তাকে ভালমতো শায়েস্তা করে এমন প্রমাণও মিলেছে।

পোস্টা মর্ডানিজমের নামে ফুকো তার কুকর্মের পক্ষে যুক্তি দেখাতে চেষ্টা করেছে। এই জানোয়ার একজন ঔপনিবেশিক ফরাসি এলিট হিসেবে ধর্ষণ করে বেড়িয়েছে উপনিবেশিত তিউনিশিয়ায়। অবশ্য এর আগে আরও দুই কুত্তার বাচ্চা সার্ত্রে এবং সিমন দ্য বুঁভো এই পেডোফিলিয়া এবং ধর্ষণের পক্ষে সাফাই গেয়ে গেছে নানা ভাবে।

রাফায়েল লিখেছেন ফুকো, লুই আলথুসার , সিমোন দ্য ‍বুভোয়া এবং জ্যাঁ পল সার্ত্রের সাক্ষর করা একটি কাগজ গিয়েছিল ফরাসি পার্লামেন্টে। সেখানে তারা শিশু এবং তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের সঙ্গে সঙ্গমের অনুমতি চেয়েছে।  তারা বলেছিল প্রচলিত আইন শিশু কিংবা প্রান্তিকদের মধ্যে যৌন সম্পর্ককে বৈধতা দেয় কিন্ত শিশু কিংবা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কারও সঙ্গে পরিণত বয়স্কদের যৌনতাকে অনুমতি দেয়নি, যা তাদের দৃষ্টিতে ঠিক নয়।

(Visited 115 times, 1 visits today)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *