বাংলাদেশের জন্য বব ডিলান

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে যেসব বিদেশী বন্ধুর কথা বারবার ঘুরেফিরে আসে, সেখানে স্বর্ণাক্ষরে চিরভাস্বর একটি নাম— জর্জ হ্যারিসন। অভুক্ত শিশু, ধুঁকতে থাকা মানবতা আর সীমান্তে প্রাণশঙ্কায় পঙ্গপালের মতো ছুটতে থাকা মানুষের আর্তনাদে আঁতকে উঠে মানবতার আকুতিতেই এসেছিলেন হ্যারিসন; ঠোঁটে নিয়ে বেঁচে থাকার গান, হাজার মাইলের দূরত্বেও আমাদের সঙ্গে হয়েছিলেন একাত্ম-একপ্রাণ। রোববারের সেই নীরস বিকেলের আবেদন হয়তো অনেকটাই অপূর্ণ থেকে যেত বব ডিলানের উপস্থিতি বাদে। পরবর্তী কয়েক দশকে একসত্তা হিসেবে বব ডিলান কিংবা আরেকটি ব্যান্ড বিটলস কিংবদন্তির খাতায় নাম লেখাবেন, সেটা আর কে জানত তখন। বাস্তবে ডিলান এবং বিটলসের একই মঞ্চে যুগলবন্দি সংগীতানুরণন এবারেই প্রথমবারের মতো প্রত্যক্ষণের সুযোগ হয়েছে সবার। তবে একই উদ্দেশ্যে তাঁদের একটি মঞ্চ মাতানোর বিষয়টি নিয়ে সংশয় ছিল আদ্যোপান্ত। যতক্ষণ পর্যন্ত বব ডিলান মঞ্চে ওঠেননি, কারো পক্ষে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব ছিল না তিনি আসবেন কি, আসবেন না। ভালোবাসা, শান্তি আর সাহসের জয়গানে প্রাণান্ত হয়ে ওঠা সেই কনসার্ট ফর বাংলাদেশ অনেকাংশে তাই ডিলানের কাছেও ঋণী।

হ্যারিসন তার নতুন সিঙ্গেল হিসেবে ‘বাংলাদেশ’ গানটি গেয়েছিলেন। কিন্তু তখনকার মার্কিন যুবা সেটাকে কেমনভাবে নিয়েছেন নিশ্চিত করে বলা কঠিন। তারা বাস্তবে প্রাণান্ত হয়েছিল ঠিক তখনই যখন মঞ্চে উঠেছেন ডিলান। আগে থেকেই অপেক্ষাকৃত জনপ্রিয় হয়ে ওঠা তাঁর বিখ্যাত ‘হার্ড রেইনস গনা ফল’ হয়তো এদিন গিটারের ঝঙ্কারে-ড্রামসের টঙ্কারে হয়ে উঠেছিল আরেকটু স্বাপ্নিক আর অনন্য দ্যোতনায় প্রাণোচ্ছল। বলতে গেলে হ্যারিসন কিংবা ডিলান দুজনেই তখনকার দিনের সংগীতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাণভোমরা হয়ে ওঠার পথে। আর এই কনসার্ট তাঁদের জনপ্রিয়তার পাশাপাশি মানবতাবাদী অবস্থানটাও আরো পাকাপোক্ত করতে পেরেছিল সহজেই। অন্তত সেদিনের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে উপস্থিত হাজার বিশেক মানুষ কি শুনেছিল বলা কঠিন হলেও মানবতার টানে সবাইকে জমায়েত করা হ্যারিসন কিংবা উচ্ছ্বসিত জনতার উচ্ছ্বাসকে আরেকটু উস্কে দেয়া ডিলানের মানবিক আবেদনটাকে চিনে নেয়া যায় সহজেই।

ইতিহাস গবেষকরা হয়তো বলে বসবেন, সুলতান শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহের সেই শাহ-ই-বাঙ্গালাহ থেকেই বাংলাদেশ তথা বাংলা শব্দটির বিকাশ। তবে মুক্তিযুদ্ধ যখন শুরু হয় বাংলাদেশ বলতে একক কোনো দেশ ছিল না। সে অবস্থায় বিটলসের কনসার্টে হ্যারিসন যে গানটি গেয়েছিলেন সেখানে সদম্ভে উচ্চারিত হয় বাংলাদেশ শব্দটি। এটাকে আরেকটু গভীর থেকে দেখলে বাংলাদেশ নামটির আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতিও বটে। কনসার্টের প্রস্তুতি চলছিল। পুরো মঞ্চ তখনো প্রায় অন্ধকার, ঠিক যেমনটি শুরুতে অনিশ্চিত ছিল ডিলানের অংশগ্রহণের ব্যাপারটাও। তরুণদের একাংশ তখন অশ্বক্ষুরাকৃতিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে যার যার অবস্থান নিয়েছে মঞ্চের আশপাশে। ঝলমলে আলোর পাশাপাশি সাউন্ড সিস্টেম যখন প্রস্তুত, অন্ধকারের বুক চিরে উচ্চৈঃস্বরে প্রথম কানে আসে হ্যারিসনের কণ্ঠে ‘ওয়াহ-ওয়াহ’। চারদিক থেকে অগণন বাদক বেষ্টিত হ্যারিসনের পরনে তখন একটা ফ্যাকাশে কমলা রঙের শার্ট আর সাদাটে কোট। লেভি শার্ট, জ্যাকেট আর জিন্সে সেখানে উপস্থিত এরিখ ক্ল্যাপটনকেও লাগছিল বেশ। পিয়ানোর ওপর দ্রুতগতিতে চলতে শুরু করে লিওন রাসেলের হাত। রিঙ্গো স্টার, জিম কেল্টনার, জো ককার, বিলি প্রেস্টন, ক্লস ভুম্যান কিংবা জেসি ডেভিস এদের কথা নিয়ে নতুন করে বলার কিছু ছিল না। ক্যালিফোর্নিয়া থেকে সেভেন হর্নের সঙ্গে এসে যোগ দিয়েছিলেন জিম হর্নও। ডন নিক্স, ক্লদিয়া লিনার, মার্লন এবং জেনি গ্রিন সবাই মিলে পুরো কনসার্টকে জমিয়ে তোলার আয়োজনটা করেছিলেন বেশ।

ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে যখন কনসার্ট ফর বাংলাদেশ ঘিরে তারার মেলা সেখানে তাদের আয়োজন হয়তো অপূর্ণ রয়ে যেত আরেকজনের উপস্থিতি ব্যতিরেকে। তিনি গানের মানুষ হয়েও এবারে সাহিত্যে নোবেলজয়ী বব ডিলান। একটু বেঁটেখাটো একটা মানুষ, মাথায় উষ্কোখুষ্কো চুল। ডেনিম জ্যাকেট নিয়ে মঞ্চের এক কোনায় নীরস মুখে উঠে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। আর তখনি মাইক্রোফোনের সামনে গেলেন হ্যারিসন। ঘোষণা এল “I’d like to bring on a friend of us all, Mr. Bob Dylan.”। হ্যাঁ, ডিলান তখন কনসার্টে এসেছিলেন; গেয়েছিলেন বাংলাদেশের একান্ত বন্ধু হিসেবেই। ব্যাগি ব্রাউন প্যান্ট, লেভি জ্যাকেট, সবুজ টি-শার্ট, হাতে ধরা ডি-মার্টিন আর গলায় ঝুলছে সেই চিরচেনা হারমোনিকা। করতালির মধ্যে দিয়ে মঞ্চে এসে মৃদু হেসে অভিবাদন জানাতে তার সময় লাগেনি তেমন। বাজনা শুরু হয়, তিনি এগিয়ে যেতে থাকেন মাইকের দিকে; গাইতে শুরু করেন ‘হার্ড রেইনস গনা ফল’। এতদিন এই গান যারা তাঁর কণ্ঠে শুনেছেন সবার ধারণা এর আগে এমন ভালো লাগেনি সেটা। স্পষ্ট উচ্চারণ, সুর-তাল-লয় সবকিছুতে একরকম অসাধারণ নিয়ন্ত্রণ মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখে সবাইকে। তিনি অনেকটা পা বাঁকা করে দাঁড়িয়ে গাইতে থাকেন। এরপর ঘাড় নিচু করে সেখান থেকে সরে আসেন। ভুল করেও একবারের জন্য ফুঁ দেননি হারমোনিকায়।

‘হার্ড রেইনস গনা ফল’ গেয়ে শেষ করে পরে গেয়েছিলেন ‘ইট টেকস আ লট টু লাফ, ইট টেকস আ ট্রেন টু ক্রাই’। এ সময় হঠাৎ তার হারমোনিকায় বেজে ওঠে চিরচেনা বেদনাবিধুর বিস্ময় উদ্দীপক সুর। দ্রুত লয়ে একটা হালকা বটলনেক গিটারের কর্ডে তখন হাত চলছে হ্যারিসনের। বলতে গেলে অনিন্দ্যসুন্দর কিছু গানের পরিবেশনাকে আরো মোহনীয় করে তুলতে হ্যারিসনের এই চেষ্টাকে সাধুবাদ দিতেই হয়। কোনো কথা না বলেই ডিলান গাইতে শুরু করেছিলেন ‘ব্লোয়িং ইন দ্য উইন্ড’। আর তাতেই স্পষ্ট হয়ে যায় এরপর যে গানগুলো তিনি গাইবেন, তার সবগুলোই সে সময়ে গ্রেটেস্ট হিট। সে সময়ের ফ্যাশনটা কেমন ছিল তা নিয়ে বলাটা কঠিন। তবে ঠিক থুতনির নিচ পর্যন্ত ছাঁটা দাড়ি, হালকা ছোট উষ্কোখুষ্কো চুল। সবমিলিয়ে তাকে দেখে মনে হয়েছে তিনি সেই বিখ্যত অ্যালবাম ফ্রিহুইলিনের প্রচ্ছদের জন্য পোজ দিচ্ছেন আরেক দফা। এখানে তিনি দরাজ কণ্ঠে যে গান গেয়েছেন সেটাতে সবাই মুগ্ধ। তবে এবারের গানের সঙ্গে যতটা না ‘দি টাইমস দে আর আ চেনজিন’-এর মিল ছিল তার থেকে অনেক কাছাকাছি মনে হয়েছে ‘ন্যাশভিল স্কাইলাইনকে’। তবে কনসার্টের আগে ড্রেসিং রুমে বসে জর্জ হ্যারিসনের সঙ্গে আরো কয়েকটি গান গেয়েছিলেন ডিলান। তবে মঞ্চে উঠে তিনি ভুলেই গেছেন ১৯৬৬-র পর নতুন কিছু গেয়েছিলেন কিনা। তাই শ্রোতারা ডিলানের পারফরম্যান্স নিয়ে একটু গোলকধাঁধার মধ্যে পড়ে গিয়েছিলেন। এতগুলো গান গাওয়ার পর ডিলান থেমেছিলেন একটা কথা বলেই। সহজসাধ্য একটি পদবন্ধ ‘থ্যাংক ইউ’।

এরপর নতুন উদ্যমে শুরু করে লিওন আর হ্যারিসনের সঙ্গে তিনি গেয়েছিলেন ‘মিস্টার ট্যাম্বুরিন ম্যান’। একই সঙ্গে একটু ব্যতিক্রম হিসেবে তিনি গাইলেন ‘লাভ মাইনাস জিরো কিংবা নো লিমিট’। অনেক আবেগ নিয়ে দর্শকরা উপস্থিত হয়েছিলেন ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে। সেখানে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ডিলানের উপস্থাপনায় যে বৈচিত্র্য উপস্থিতিকে মন্ত্রমুগ্ধের মতো আটকে রাখে পুরোটা সময়। এরপর তিনি হার্পে সুর তোলেন নানা ভঙ্গিমায়— যা গানের থেকে কম আবেদন রাখেনি সেখানে। লিওন ও হ্যারিসনের গানের পর আবার একটু সময়ের জন্য মঞ্চে এসেছিলেন ডিলান। তিনি তার মেক্সিকান গিটারটি নিয়ে অনেক কসরত দেখাতে ভুল করেননি। এরপর হারমোনিকায় দুই-একটা ফুঁ দিয়ে আবার কিছুক্ষণ হাত চালান হার্পে। এরপর হঠাৎ দ্রুত লয়ে গেয়ে ওঠেন ‘জাস্ট লাইক আ ওম্যান’। আর এভাবেই ঘুরেফিরে এক একটি গান গাইছিলেন কয়েকজন মিলে। হঠাৎ বাজনায় বদল লক্ষ করা যায়, আস্তে আস্তে গিটারের কর্ডগুলোতে রিদম প্লাকিং কমে আসে। গিটারটাকে পেছনে টেনে নিয়ে আসেন ডিলান। এরপর পাশ থেকে জ্যাজ এবং রক ভার্সনে আরো অন্য গান শুরু হয়ে যায়। চারপাশে একবার নজর বুলিয়ে থেমে যান ডিলান। এভাবেই একটা সময় গান শেষে নিভিয়ে দেয়া হয় মঞ্চের লাইট।

কনসার্টের শুরুতে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল বব ডিলান এখানে উপস্থিত হবেন কি না। তখনকার সময়ে ব্যস্ত শিডিউল থেকে বব ডিলানকে ডেকে নিয়ে আসার কাজটাও তেমন সহজ ছিল না। শুধু একটি আক্রোস্টিক গিটারের মূর্ছনায় অগণিত মানুষকে মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখার মোহনীয় শক্তি ধারণকারী এই গায়ককে নিয়ে তখন তারুণ্যের উচ্ছ্বাস তুঙ্গে। সবাই যার যার অবস্থান থেকে দেখতেন ডিলানকে। তবে জনপ্রিয়তার মানদণ্ডে তিনি উতরে গেছেন অনেক আগেই। তাই ম্যাডিসন স্কয়ারের হাজার বিশেক মানুষের সঙ্গে একটি মানবিক আবেদনে সাড়া দিতে যখন তার কাছে আহ্বান জানানো হয়েছিল, স্বভাবসিদ্ধ আগ্রহ দেখাতে ভুল করেননি তিনি। কনসার্টের আগে প্রায় সবাই এসে উপস্থিত হলেও ডিলানের দেখা নেই। বিশেষ করে শুক্রবার রাতে যখন লিওন রাসেল এসে গেলেন এবং তিনি ডিলানের সঙ্গে কথা বলে কোনো নির্ধারিত উত্তর পেলেন না, সংশয়টা বেড়ে যায় বহুগুণে। শেষ পর্যন্ত শনিবার সকালে তিনি জর্জ হ্যারিসনের হোটেলটিতে এসে হাজির হন। সেখানে পরপর কয়েকটি গান গাইলেন এবং জানালেন অনুষ্ঠানে থাকছেন।

কনসার্টের আগের রাতে সেখানে অনেক রিহার্সেল হলেও সেখানে ডিলানকে তেমন দেখা যায়নি। তিনি শুধু বারকতক উপস্থিত হয়ে একটু দেখা দিয়েই আবার সটকে পড়েছেন অনুষ্ঠানের কেন্দ্রস্থল থেকে। ব্যাডফিঙ্গারের টম ইভান্স সেদিন ডিলানের কাণ্ডকারখানা নিয়ে তাঁর সাক্ষাৎকারে বলেছেন অনেক কথা। এদিকে ডিলানের পাশাপাশি লিওন রাসেল সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বেশ গুরুত্ব দিয়ে অনেক গানের রিহার্সেল করেন। শুরুতে সমস্যা আরো ঘনীভূত হয় যখন গিটার বাজানোর জন্য জর্জ হ্যারিসন পলকে ফোন করে তার সম্মতি আদায়ে ব্যর্থ হন। এর কিছুদিন আগে জন লেনন নিউইয়র্কে আসলেও ততদিনে চলে গেছেন নিজ দেশে। তবে অনেক অনিশ্চয়তায় অবসান ঘটিয়ে সেদিন ডিলান মঞ্চে উপস্থিত হয়েছিলেন এটাই সব কথার শেষ কথা। আর মার্কিন সংগীত ইতিহাসে শ্রোতা-দর্শক সেবারেই প্রথমবারের মতো দেখতে পান রিঙ্গো স্টার ড্রাম বাজিয়ে যে মঞ্চে গান ধরেছেন সেখানেই একটু পর গাইছেন বব ডিলান। আর এটাই প্রথমবার যেখানে বিটলস এবং বব ডিলানকে দর্শকরা দেখতে পান একই মঞ্চে, যেখানে তারা গাইছেন সময়ের সব থেকে জনপ্রিয় গানগুলো। ডিলান কিংবা জর্জ হ্যারিসন সেদিন কী গেয়েছিলেন সেটা কালের পরিক্রমণে এখন নিতান্তই ইতিহাস হয়ে আছে। তবে ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে উপস্থিত ২০ হাজার সংগীতপ্রেমীর মনে সেদিন দোলা দিয়েছিল কিছু হার না মানা সুর।

স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের পাতায় অমর হয়ে থাকা জর্জ হ্যারিসন ইহলোক ত্যাগ করেছেন। এবার নোবেল কমিটি হঠাৎ করে জানান দিয়েছে নিতান্তই গানের মানুষ বব ডিলানের নোবেল জয়ের সুসংবাদ। এক্ষেত্রে সংগীতশিল্পী কীভাবে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন সেটা নিয়ে তর্ক-বিতর্কে যেমন চায়ের কাপে ঝড় তুলছেন কেউ কেউ, তেমনি ভক্তদের অনেকেই আছেন যারা ভাবছেন নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তিতে বব ডিলানের মতো সংগীতশিল্পীর কিছু এসে-যায় না। তিনি গাইতেন মানুষের গান। সাহিত্য যেমন সমাজ, মানবতা ও জীবনের প্রতিচ্ছবি, তার পুরোটাই কথামালার মায়াবী আবেশ আর সুরের মূর্ছনায় একই কাজটা করতে পেরেছেন ডিলান। আর বাংলাদেশী হিসেবে আমাদের সঙ্গে একাত্ম হয়েছিলেন বব ডিলান সেই ভয়াবহ ইতিহাস যুগসন্ধিক্ষণে। আর সংগীতপ্রেমীরা এ সময়টাকে হূদয়ে ধারণ করতে চাইবেন আমাদের যুগসন্ধিক্ষণে হঠাৎ যুগলবন্দি হওয়া বব ডিলান ও বিটলসের অনিন্দ্যসুন্দর উপস্থাপনার ভাবানুষঙ্গে।

(Visited 30 times, 1 visits today)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *